
স্টাফ রিপোর্টার
সিরাজগঞ্জ বেলকুচি থানাধীন বওড়া গ্রামের সন্তান
অনেক কষ্ট করে লিবিয়া থেকে গেমস পথে ইতালি যায়। শখের বসে ইতালির ৫ লক্ষ টাকার একটা নোট বানায়। ইতালি তে তিনি জেল হাজতে গিয়ে পরবর্তীতে বাংলাদেশে ফেরত আছে। এখন ইতালির ৫ লক্ষ টাকার নোট বাংলাদেশের কোন ব্যাংক গ্রহণ করছে না এমন অভিযোগ ভুক্তভোগী ওয়ারেছের। বাংলাদেশ সরকার তারেক জিয়ার কাছে একটা সমাধান চাচ্ছে ভুক্তভোগী ওয়ারেছ।
তিনি আরো বলেন, ইটালি ইলেকট্রিক অফিসে চাকরি করে বাংলাদেশী। তারা কেস দিছে আমি ইতালি তে চারবার জেল হাজতে ছিলাম। ২০২০ সে দিছে রেপ কেস, ২০২৫ ফেব্রুয়ারিতে ডিক্লার দিছে সংসদে 49% ফাঁসি দিবে। আমি ইটালি পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট। আমি তিনবার নাগরিক তো হারাইছি। প্রেসিডেন্ট জেনারেল এর ডকুমেন্টও দেয় না। যেকোনো জায়গায় গেলে সমস্যা করে।২০২০ সালে এরা ভোট ছাড়া প্রেসিডেন্ট বানাইছে।জর্দা মিলিয়ন ইটালি মন্ত্রী। মিথ্যা বানোয়াট ভাবে আমাকে বানানো হয়েছে রেপ কেসের আসামি। মহিলার নার্স এসে বলল আমি দেখছি। আবার উকিলের মা এসে বললো সঠিক বিচার চাই। আসলে মিথ্যা ভাবে আমাকে পাঠানো হয়েছে। আমি ১২ বছর ইটালি ছিলাম। আর জর্দা মিলনী কন্টাকে রেখে, ওরা থাকে ক্ষমতায় আমারে দেয় জেল লাথি গুড়ি ফাঁসির ধরি। এভাবেই আমার বারোটা বছর গেছে। ২০২০ সালে আমি অরজিনাল প্রেসিডেন্ট
ছিলাম। আমার কাছে সকল কাগজ পত্র আছে। আমি আট বছর জেল খেটেছি চারবার। আমার লাইফ শেষ ফ্যামিলি শেষ। আমি থানায় গেলে টাকা ভাঙ্গানোর কথা বললে তারা বলে ব্যাংকে যান। আর ব্যাংকের যাওয়ার পরে বলে নাগরিকত্ব দেখান। পরিশেষে তিনি টাকা টা ভেঙ্গে দেওয়া জন্য বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট তারেক জিয়ার কাছে আবেদন করেন।