নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের উখিয়া–টেকনাফ সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় কঠোর অবস্থান গ্রহণের দাবি উঠেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই সীমান্ত এলাকা শুধু একটি ভৌগোলিক সীমারেখা নয়—এটি দেশের সার্বভৌমত্ব, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
সাম্প্রতিক সময়ে উখিয়া–টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান, মাদক পাচার এবং সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর তৎপরতা বৃদ্ধির খবরে স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই অঞ্চলে সীমান্ত দুর্বল হলে অবৈধ অস্ত্র, ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক ও নিষিদ্ধ পণ্যের প্রবেশ আরও সহজ হয়ে পড়ে, যা সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, উখিয়া–টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে যে কোনো ধরনের চোরাচালান, মাদক পাচার কিংবা সশস্ত্র গোষ্ঠীর কাছে রসদ সরবরাহ শুধু আইনত গুরুতর অপরাধ নয়—এটি ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও সম্পূর্ণ হারাম এবং মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্য অপরাধ। এসব কর্মকাণ্ড সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টি করে এবং যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।
এ অবস্থায় প্রশাসনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে—উখিয়া–টেকনাফ সীমান্তে অবিলম্বে কার্যকর, কঠোর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সীমান্ত নজরদারি আরও জোরদার, চোরাচালান রুট চিহ্নিত করে বন্ধ, মাদক কারবারিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
উখিয়া–টেকনাফ সীমান্ত নিরাপদ মানেই পুরো বাংলাদেশ আরও নিরাপদ। রাষ্ট্র, প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ একসঙ্গে কাজ করলে এই অঞ্চলের সব ধরনের অপশক্তি ও অপরাধচক্র প্রতিহত করা সম্ভব।
মোঃ জাহেদ আলম (সাগর) শিক্ষার্থী, টেকনাফ সরকারি ডিগ্রি কলেজ।