স্টাফ রিপোর্টার:
মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের এমপি এ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদের বর্তমান কর্মকাণ্ড দুই উপজেলার (টঙ্গীবাড়ী লৌহজং) সাধারণ জনগণ এখন হতাশ এবং আতঙ্কিত। তার তৈরি করার নিজস্ব বাহিনীর দাপটে কোণঠাসা হয়ে যাচ্ছে দুই উপজেলার সাধারণ মানুষ।
সালাম এবং তার নিজস্ব লোকজন এলাকাতে এমন কোন অপকর্ম নাই যার সাথে তারা জড়াচ্ছে না। সরকারি সম্পত্তি পর্যন্ত তারা নিজেদের দখলে নিয়ে নিচ্ছে।
এমনই এক বদনামের ঝুলি কাধে নিলো সালাম এবং তার বাহিনী, যেটা কিনা সালামের নিজের এলাকায় । উপজেলার গাওদিয়া ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ডে নদীর পাড়ে সরকারি বেরিবাধের উত্তোলন করা মাটি রাতের আঁধারে বিক্রি করে দিচ্ছে। বিএনপি’র নামধারী, আলমগীর বেপারী, শহিদুল বেপারী, মেহেদী হাসান খান বিদ্যুৎ, জুয়েল শিকদার, ইউসুফ মাতবর, জামাল ওরফে টুপি জামাল সহ কিছু বীপথগ্রস্ত বিএনপি’র কর্মীরা। আর এই কাজে প্রত্যক্ষ কর্মীদের মদদ দিচ্ছে, যুবদলের মুক্তার হোসেন খান এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের তানভীর অভি নামক হনুমান । যে দুজন কিনা আব্দুস সালাম আজাদ ওরফে পিচ্চি সালামের একান্ত আস্থাভাজন লোক। যাদের বাড়ির সামনের মাটিকাটা হয়েছে তারা যদি এই মাটি নিতে বাধা দিচ্ছে বলে, তাদেরকে দেওয়া হচ্ছে হুমকি-ধুমকি, দেখানো হচ্ছে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভয়।
সালামের এসব কর্মকাণ্ডে বাধা দিতো বলেই, ইউএনও এবং ডিসি বাদ দিয়ে, সরাসরি মন্ত্রণালয় থেকে, লৌহজং সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) বাসিত সাত্তার কে পার্বত্য জেলায় বদলি করিয়েছে। এবং এসিল্যান্ডের দুই সহকারীকে বরখাস্ত করিয়েছে, এমপি আব্দুস সালাম আজাদ। চলবে.!
বিস্তারিত আসছে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের দ্বিতীয় পর্বে।