
মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, কোটচাঁদপুর সংবাদদাতা ঝিনাইদহ:
কোটচাঁদপুরে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ প্রভাবশালী মহলের চাপে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা, এলাকায় তোলপাড় এমনই ভূয়া নিউজে সয়লাব কোটচাঁদপুর | ২৫ মে সারা দিন ভন্ড সাংবাদিক আর ভূয়া খবরে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় কোটচাঁদপুর এলাকাজুড়ে| লোকলজ্জার ভয়ে বাড়ি ছাড়া ওই ভুক্তভোগী পরিবারটি| সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায় প্রায় ৪ মাস আগে উপজেলার সারুটিয়া গ্রামের চয়নের ৫ বছরের মেয়েকে হেনেস্তা করেন একই গ্রামের লম্পট শুকুর সর্দার | ২৫ মে সোমবার ভুক্তভোগী মেয়েটির বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় তারা কেউ বাড়িতে নেই| মেয়ের দাদা শফি সর্দারের সাথে কথা বললে তিনি জানান আজ বাড়িতে অনেক লোকজন আসছে তাই ওরা নানি বাড়ি চলে গেছে| কি হয়েছে এমন প্রশ্নে তিনি জানান প্রায় ৪ মাস আগে আমার নাতনিকে ফুসলিয়ে মাঠে নিয়ে যায় শুকুর সর্দার| পরে নাতনি বাড়ি এসে বলে শুকুর সর্দার তাকে গায়ে হাত দিয়েছে এবং বিভিন্ন কু-কথা বলেছে| যেহেতু সে আমারই আপন চাচাত ভাই তাই বিষয়টি নিয়ে আমরা অন্য চাচাত ভাই রজমান সর্দারকে বলেছিলাম কিন্তু সে কোন ব্যবস্থা নেইনি বরং সময়ক্ষেপন করেছে| রমজান সর্দার জানান আমার কাছে ঘটনাটি জানানোর পরে মেয়ের বাবা অভিযুক্ত শুকুর সর্দারের কাছ থেকে ২ হাজার টাকা নিয়ে দিতে বলেন| শুকুর সর্দার দীর্ঘদিন বাড়িতে না থাকার জন্য আমি কোন ব্যবস্থা নিতে পারিনি, তাদের বলেছি তোমরা অন্যভাবে ব্যবস্থা নিতে পারো| অভিযুক্ত শুকুর সর্দারের সাথে কথা বললে তিনি জানান আমাকে হয়রানি করার জন্য মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে| আমাকে বাড়িতে যেতে বাধা দেয়া হচ্ছে সেকারণে আমি তাদের নামে ৭ ধারায় মামলাও করেছি| গত ২৩ তারিখে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের সাথে নিয়ে লক্ষীপুর পুলিশ ক্যাম্পে বসাবসি হয়েছে| আমিও ৭ ধারা মামলা তুলে নিতে চেয়েছি| লক্ষীপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনর্চাজ কবীর হোসেন জানান শফি সর্দারের লিখিত অভিযোগ ছিলো যে তার আপন চাচাতো ভাইয়ের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত ঝামেলা নিয়ে শুকুর আলী তার নামে মিথ্যা মামলা করেছে| অভিযোগের ভিত্তিতে বসাবসি হয় এবং উভয় পক্ষ মিল করে চলে যান| এখানে কোন শিশু ধর্ষন বা হেন্তের কথা উঠিনি বা এ বিষয়ে পুলিশের কাছে কোন মামলা বা অভিযোগও নেই| স্থানীয় একাধীন লোকের সাথে কথা বলে জানা যায় শুকুর সর্দার একজন লম্পট মানুষ তার বিরুদ্ধে এ রকম একাধীন অভিযোগ রয়েছে|