মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ
স্টাফ রিপোর্টার
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নে ভিজিএফের দুর্গন্ধযুক্ত পচাঁ চাল বিতরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে।
এছাড়াও সাংবাদিকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণের আইনী ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা।
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার সুবিধাভোগী দুঃস্থদের মাঝে ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে জনপতি ১০ কেজি করে চাল বিতরণের কার্যক্রম শুরু করেন।
এ লক্ষে ( ১২ মার্চ ২৬ )তারিখে হরিনাথপুর ইউনিয়নের হরিনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের অনুপস্থিতে দুর্গন্ধযুক্ত ও পচাঁ চাল বিতরণ করা হয়।
যা খাওয়ার অনুপযুক্ত বলে জানান সুবিধাভোগী দুঃস্থ দরিদ্র ব্যক্তিরা ।
এ ছাড়াও জনপ্রতি ১০ কেজি চাল বিতরণে ওজনে কম দেয়া হয়েছে।
দুর্গন্ধযুক্ত পচাঁ চাল বিতরণের ব্যপারে পলাশবাড়ী উপজেলা ওসিএলএসডি স্থানীয় খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমজাদ হোসেনের নিকট সাংবাদিক পরিচয় দিলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন,কার অনুমতিতে এখানে এসেছেন।
তার অসৌজন্যমূলক আচরণের বিষয়টি পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ জাবের আহমেদ এর কার্যালয়ে অবগত করার জন্য গেলে তিনি স্থানীয় খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমজাদ হোসেনকে ডেকে নেন।
এ সময় তিনি নির্বাহী কর্মকর্তার সামনে অকপটে’ নিম্নমানের চাল বিতরণের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন-বৃষ্টির পানি চুয়ে পড়ায় কিছু চালের বস্তা নষ্ট হয়েছে।
নষ্ট বিতরণকৃত চাল গুলি ফিরিয়ে নেয়ার কথাও বলেন এ কর্মকর্তা ।
তিনি আরও বলেন বিগত ২/১ বছরে এ
খাদ্যগুদামের বেহালদশায় ১১ নম্বরে রয়েছে পলাশবাড়ী উপজেলার খাদ্য গুদাম।
বিজ্ঞ মহলের প্রশ্ন-গুদামে নষ্টকৃত চালের ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে দায়ী কে আর কেনই বা খাওয়ার অনুপুযুক্ত চাল গরীব দুঃসহ এবং অসহায়দের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও জেলা প্রশাসক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন এটাই ভুক্তভোগী মহলের প্রত্যাশা।