
সোহেল খান দুর্জয় নেত্রকোনা প্রতিনিধি
পবিত্র গোলাপ তুমি থাকো কেন পাপড়ি মেলে
সত্যি করে বলো গো এমন রূপ কোথায় পেলে
প্রজাপতি তোমার ডানায় কেন রূপের বাহার
সত্যিই হিংসায় আমি যাচ্ছি মরে বাঁচি না গো আর
গোলাপ রজনীগন্ধা তোমার গন্ধে পাগলপারা
সত্যিই তো সর্প তোমার সুবাসে হয় যে দিশেহারা
গোলাপ তুমি কই পেলে ভাই গন্ধ এমন জাদুমাখা
মন ছুটে যায় বেঁধে তাকে গোলাপ যায় না রাখা
এই লজ্জাবতী এতো লজ্জা তুমি পেলেটা বা কই
পৃথিবীতে তোমার লাজে আমি ভীষণ মুগ্ধ যে হই
গোলাপের গন্ধ মানুষ তবু সবকিছুকে হার মানালো
পৃথিবীতে কুরআন আমায় পষ্ট করে তা জানালো,
গোলাপ ফুটেছে শত শত তোমার মায়া ভরা কাননে
তোমার কোমল হাতের দীপ্ত পরশ গড়েছো যতনে
ফুটেছে লাল সাদা ফুল সাধনায় ভরা তোমার বাগানে
দেখে নয়ন তোমার জুড়ায় আমার হৃদয় মাজারে
দেবে কী আমায় তুমি একটি রক্ত গোলাপ নিজের
গোলাপ তোমার মতন আমারও প্রিয় এক ফুল
সুপ্ত বাসনায় লোভে মত্ত আমার সবই যে ইন্দ্রিয়
দেবে কী আমায় তুমি একটি লাল সাদা গোলাপ
গন্ধ শুকে করে নিবো আমার হৃদয়কে সক্রিয় করে।
গোলাপ ফুটেছে আজ তোমার বাগানের পূর্ণিমায়
কী অপরূপ রূপে সেজেছে সব ফুল সারিবদ্ধ ধরে
দেবে কী আমায় তুমি একটি লাল গোলাপ তোমার
আমার আছে এই গোলাপের মত হাজারও কবিতা
তোমার কাননে ফুটা গোলাপের মত আমারও বুকে
যদি তুমি দাও আমাকে তোমার বাগানের জবাফুল
আমিও তোমাকে দেব আমার বুকে ফলানো কবিতা
যত ফুল আছে এই জগতে তুমিই সর্ব সুন্দর ছবি
মনের অগোচরে লুকিয়ে থাকা না বলা গল্পকবি
তোমার নরম পরশে আমি হিল্লোলস্রোতের ভেলায়
তিমির রাতে জোনাকি আমি সোনার দিনের বেলা
তোমার গায়ের মিষ্টি সুবাস যেন এক অমৃতের স্বাদ
কোমল পাপড়ির উজ্জ্বল দ্যুতি যেন পূর্ণিমার পূর্ণ চাঁদ
তোমার রক্তিম বক্ষে লেখা কাব্য প্রেম কথা আমার
ফুটিয়ে তোলো আতসকাঁচে গোলাপ রানী তুমিই
পৃথিবীতে যখন আমার মনপাখির এক আঁখিভার।