
মিজানুর রহমান মুবিন, ঝালকাঠী জেলা প্রতিনিধি:
ঝালকাঠি শহরের শ্মশানঘাট এলাকায় সোমবার দুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে ৭টি বসতঘর সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, দুপুর ৩টার দিকে হঠাৎ একটি ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন দ্রুত আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে, কারণ ওই এলাকা ঘনবসতি। লেলিহান শিখা মুহূর্তের মধ্যে উপরের দিকে উঠে যায়।
ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। স্থানীয় বাসিন্দারাও দমকল কর্মীদের সহযোগিতা করেন। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন আংশিকভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
ক্ষতিগ্রস্তরা জানাচ্ছেন, আগুনে তাদের ঘরের আসবাবপত্র, নগদ টাকা, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ সবকিছু পুড়ে গেছে। এতে তারা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছেন।
এটাকে কিছুটা ভিন্ন রকম করে রিপোর্ট চাই
ঝালকাঠি শহরের শ্মশানঘাট এলাকায় সোমবার দুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৭টি বসতঘর সম্পূর্ণভাবে ভস্মীভূত হয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, বিকেল প্রায় ৩টার দিকে একটি ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় দাহ্য উপকরণের আধিক্য থাকায় আগুন দ্রুত পাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন ভয়াবহ রূপ নেয় এবং পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দারাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে দমকল কর্মীদের সহায়তা করেন। প্রায় দুই ঘণ্টার নিরলস প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, আগুনে তাদের ঘরের আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সবকিছু পুড়ে গেছে। এতে তারা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। তবে সৌভাগ্যবশত এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত কার্যক্রম চলছে।
এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে।