
খ,ম,জায়েদ হোসেন,নাসিরনগর
(ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) প্রতিনিধিঃ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে হাটে বাজারে চায়ের স্টল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। এ আলোচনায় অন্যতম নাম হিসেবে উঠে এসেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি নেতা সদর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ছয় বারের সফল ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার উপজেলা সদর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান, সমাজসেবক ও সংগঠক মোঃ আজদু মিয়ার নাম।
দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক, মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে মোঃ আজদু মিয়া উপজেলা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষা, সমাজসেবা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার কারণে স্থানীয়দের কাছে তিনি একজন পরিচিত ও আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
সদর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ আজদু মেম্বার বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকায় আওয়ামী শাসনামলে কয়েক দফা কারাবরণ করতে হয়েছে। তার
নেতৃত্বগুণ, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি নিজস্ব একটি অবস্থান তৈরি করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একজন সৎ, ভদ্র ও জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে মোঃ আজদু মেম্বার গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সদর ইউনিয়নের ভোটারদের মধ্যেও তাকে নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে।
অনেকেই মনে করছেন, মানুষের সমস্যার কথা শোনা এবং জনকল্যাণে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে একজন শক্তিশালী সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হবে।
তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে মোঃ আজদু মেম্বার সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, জনসম্পৃক্ততা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।
এদিকে উপজেলা সদর সহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের একটি অংশ মনে করছেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে কার্যকর ও জনমুখী নেতৃত্ব গড়ে তুলতে মোঃ আজদু মেম্বার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। ফলে নির্বাচনকে ঘিরে তাকে নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও প্রত্যাশা ক্রমেই বাড়ছে।
এ বিষয়ে মোঃ আজদু মেম্বার বলেন, “আমি একটনা ৬ বার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নির্বাচীত হয়ে দীর্ঘ ৩০-৩৫ বৎসর পর্যন্ত সবসময়ই মানুষের পাশে থেকে কাজ করার চেষ্টা করেছি। মহান আল্লাহ তায়ালা যদি আমাকে দয়া করে, আর জনগণ যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন এবং দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ দেন, তাহলে উপজেলা সদর ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, সুশাসন ও জনকল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখব। মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।”