
খ,ম,জায়েদ হোসেন, নাসিরনগর
(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার হাট-বাজারে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানীর পশুর হাট জমে উঠেছে। গত কয়েকদিন ধরে অস্থায়ী বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়া চলমান থাকলেও উপজেলার বিভিন্ন হাটে ভিড় করছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা।
মুসলমানদের অন্যতম বড় এই ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে সারা দেশের মতো নাসিরনগরেও কোরবানির পশুর হাট গুলোতে চলছে জমজমাট বেচাকেনা। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়।
সরেজমিনে দেখা যায়- ফান্দাউক, চাতলপাড়, নুরপুর, পুর্বভাগ, গুনিয়াউক,হরিণবেড়, ভলাকুট, কুলিকুন্ডা,
চাপড়তলা, নাসিরনগর সদর প্রভৃতি পশুর হাট গুলোতে ক্রেতা- বিক্রেতার সমাগম চোখে পড়ার মতো। পশু বিক্রিও হচ্ছে প্রচুর। বিশেষ করে দেশি জাতের মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি। অনেকেই এখনই কোরবানির পশু কিনে রাখার চেষ্টা করছেন। কারণ শেষ মুহূর্তে দাম বাড়ার আশঙ্কা করছেন অনেকে। তবে এবার পশুর দাম তুলনামূলক ভাবে সহনশীল।
স্থানীয় খামারিরা জানান-"এবার ভারতীয় গরু না আসায় তারা স্বস্তিতে আছেন। তবে গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি, শ্রমিক মজুরি বেড়ে যাওয়া ও অন্যান্য খরচ বৃদ্ধির কারণে গরুর দাম কিছুটা বেশি"। তারা জানিয়েছেন-"পশু গুলোকে প্রাকৃতিক ভাবে বড় করতে নিজেদের জমিতে উৎপাদিত ঘাস, বিচালি, খৈল, ভুসি ও ভুট্টা খাওয়ানো হয়েছে। কোন কৃত্রিম কেমিক্যাল প্রয়োগ করা হয় নাই"। এক বিক্রেতা বলেন- "আবহাওয়ার সমস্যা আছে ঠিকই, কিন্ত বেচাকেনা ভালোই হচ্ছে। আজ,,,,, সকাল থেকেই অনেক গরু বিক্রি হয়েছে। আশা করি ঈদের আগের কয়েক দিন আরও ভালো বিক্রি হবে"।
নাসিরনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ সামিউল বাছির বলেন- "বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও নাসিরনগরের কোরবানির পশুর হাটগুলোতে বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। এখানকার স্থায়ী ও মৌসুমি খামারিদের পাশাপাশি অনেকেই বাড়িতে কোরবানির জন্য পশু পালন করেছেন। এবার চাহিদার তুলনায় পশু বেশি থাকায় কোনো ঘাটতির আশঙ্কা নেই"।