
আব্দুস সালাম,নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারী সদরে টুপামারী ইউনিয়নের কিসামত দোগাছি গ্রামে পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মতিউল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে টুপামারী ইউনিয়নের কিসামত দোগাছি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মতিউল ইসলাম একই এলাকার আব্দুল হামিদ হোসেনের ছেলে। তার তিন মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, কিছুদিন আগে মতিউল ইসলাম একই এলাকার একরামুল হকের স্ত্রী সাহের বানুকে নিয়ে পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হলে সাহের বানু পুনরায় সংসারে ফিরে আসেন।
তবে ওই ঘটনার জের ধরে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সাহের বানুর ছেলে আলামিন ইসলামের (২৩) সঙ্গে মতিউল ইসলামের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে আলামিন তামাক কাটার ধারালো কাস্তে দিয়ে মতিউল ইসলামের গলায় আঘাত করে। এর ফলে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান মতিউল ইসলাম।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরাদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আলামিন ইসলাম পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালছে।
এদিকে, ঘটনার পরপরই পুলিশ আলামিনের বাবা একরামুল হক, মা সাহের বানু এবং ছোট ভাই আপন ইসলামকে (১৬) আটক করেছে।
এ বিষয়ে সদর থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ আলামিনের বাবা একরামুল হক, মা বানু এবং ছোট ভাই আপন ইসলামকে আটক করেছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে পরোকিয়ার বিরোধ। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।