
পঞ্চগড় :
পঞ্চগড়ে এক গৃহবধকে মারপিট ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশি মনসুর গংদের বিরুদ্ধে।
এ ব্যাপারে পঞ্চগড় সদর থানা ৫ জনকে অভিযুক্ত করে এজাহার দায়ের করেছে গৃহবধুর স্বামী সেলিম ইসলাম।
ভুক্তভোগীরা জানায়,গত ৮ সেপ্টেম্বর পঞ্চগড় সদর উপজেলার গড়িনাবাড়ি ইউনিয়নের চারুখুড়া গ্রামের সেলিমের স্ত্রী ফিরোজা বেগম দুপুরে নিজের আবাদি জমিতে ধানের রোপা দেখে আসার সময় অভিযুক্ত মনসুরের বাড়ির সামনে আসা মাত্রই মনসুরের দলবল ফিরোজা বেগমকে টানা হেজরা করে বুকে, পিঠে, মাথায়, এলো পাথারি কিল ঘুষি লাথি মারতে মারতে টানিয়া রাস্তার পাশে গাছে বেধে রাখে।
অভিযুক্তরা ফিরোজা বেগমের চুলের মুঠি ধরে লাঠি দিয়ে মারপিট করতে থাকে। অভিযুক্ত শাকিল
ফিরোজা বেগমের শাড়ি, উড়না খুলিয়া শ্লীতহানির চেষ্ঠা চালায়।
এসময় ফিরোজা চিৎকার করতে থাকলে পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে আসলে তাদেরকে মারপিট করে অভিযুক্ত মনসুরগংরা।
ফিরোজা বেগমের স্বামী সেলিম স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যদের মারপিটের কথা শুনে তাৎক্ষণিক ছুটে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ঘটনাস্থল থেকে স্ত্রীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়। গত ১২ সেপ্টেম্বে চিকিৎসরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ফিরোজা বেগমকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওযার পরামর্শ দিয়েছেন।
এদিকে পঞ্চগড় সদর থানায় এজাহার দায়ের করার কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং এজাহার তুলে নেয়ার জন্য হুমকি দেয় মনসুর গংরা। তাদের ভয়ে পরিবার পরিজন আতংকে রয়েছে ভুক্তভোগী পরিবারটি। তারা দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির জানান।
এদিকে অভিযুক্ত মনসুরের সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। তাই তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয় নি।
আসাদুজ্জামান আপেল
পঞ্চগড়