
মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ
স্টাফ রিপোর্টার
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের মা হাসনা বেগম জামাইসহ চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং স্বামীকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের পারআমলাগাছী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কবিতা বেগম (২৫) সাদুল্লাপুর উপজেলার খোদ্দ কোমরপুর ইউনিয়নের বড় গোপালপুর গ্রামের বকু মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মোস্তাফিজার রহমানের ভাড়া বাসা থেকে কবিতা বেগমের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলের আশপাশ থেকে আলামতও জব্দ করা হয়েছে।
নিহতের পরিবার জানায় স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। কয়েকদিন আগে কবিতা তার ১০-১২ বছরের ছেলে হানিফকে নিয়ে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। গত ২৭ মার্চ রাতে স্বামী হারুন তার বোন ও ভগ্নিপতিকে সঙ্গে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে কবিতাকে পরিকল্পিতভাবে ভাড়া বাসায় নিয়ে আসেন। কৌশলে সন্তানকে নানা বাড়িতেই রেখে দেওয়া হয়।
পরদিন সকালে স্থানীয়রা বাসার একটি কক্ষে বিছানার ওপর কবিতার গলাকাটা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।
বেতকাপা ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তা জানান পারিবারিক কলহের পাশাপাশি পরকীয়ার অভিযোগ নিয়েও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ ছিল।
খবর পেয়ে পলাশবাড়ী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে রংপুর হাসপাতাল থেকে প্রধান আসামি স্বামী হারুনকে আটক করে।
তিনি সাদুল্লাপুর উপজেলার ঈদিলপুর ইউনিয়নের চকভগবানপুর গ্রামের বাসিন্দা
পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরওয়ারে আলম খান জানান মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে প্রধান আসামি নিহতের বর হারুনকে আটক করা হয় এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।