
মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ
স্টাফ রিপোর্টার
গাইবান্ধায় পলাশ বাড়ী প্রতি বছর ঈদ আসলেই তুললামুলক ভাবে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বৃদ্ধি পায় এতে আহত নিহত ও পঙ্গুত্ব বরন করতে হয় অনেক মানুষকে তারমধ্যে অধিকাংশরাই উততি বয়ষের কিশোর ও স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী।
এবার ঈদে ও এর ব্যাক্তিক্রম হয় নি।
ঈদে টানা প্রায় ১০ দিন স্কুল কলেজ মাদ্রাসা গুলো লম্বা ছুটি থাকায় নারীর টানে প্রায় সকল শ্রেনীর মানুষ ঈদ উদযাপন করতে রাজধানী ঢাকা ছেড়ে এলাকায় পারি জমিয়েছে।
এসব পরিবারে স্কুল কলেজ পুড়ুয়া শিক্ষার্থীরা ঢনাঢ্য বাবার বিলাস বহুল মোটরসাইকেল হাইস্পিড দিয়ে চালানোর ফলে গত তিন দিনে পলাশবাড়ী পৌরশহর ও এর আশপাশ এলাকার কমপক্ষে ১০ জন ব্যাক্তি আহত হয়েছে।
এরমধ্যে ৩/৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে হাসপাতাল সুত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
২৩ মার্চ সোমবার সন্ধায় সরেজমিন তথ্যানুসন্ধানে জানাযায় গত ২১ মার্চ ঈদের দিন থেকে ২৩ মার্চ সোমবার পর্যন্ত তিন দিনে পৃথক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১০ জন আহত হয়েছে।
আহতরা হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবি দলের ইউনিয়ন সভাপতি ও কাশিয়াবাড়ী গ্রামে কমবুল মিয়ার ছেলে শাহজাহান সাদুল্লাপুরে খোদাবক্স গ্রামের হরি চন্দ্রের ছেলে শুকুমার,গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মেহের আলীর ছেলে বাবু মিয়া পৌর শহরের বৈরী হরিনমারী গ্রামের লিটন মিয়ার ছেলে সোহান পার আমলাগাছি
আমিনুল ইসলামের ছেলে রাসেল জামালপুর গ্রামের শওকত আলীর ছেলে আবুল কালাম আজাদ এ ছাড়া আশংকা জনক হওয়ায় বেশ কয়েকজন রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে।
পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা:মালিছা বলেন প্রতিবার ঈদের এই সময়টায় দুর্ঘটনা বেশি ঘটে।এছাড়া হাসপাতালে অতিরিক্ত রোগী বেশি হওয়ায় চিকিৎসা সেবা দেয়া সামান্য ব্যাহত হচ্ছে।
তারপর ও আমরা নিরলস ভাবে দায়িত্ব পালন করছি।
অধিকাংশ দুর্ঘটনার কারন হিসেবে ওঠেছে হাইস্পিডে মোটরসাইকেল চালানোর কারনে। আহতদের মধ্যে অধিকাংশইবাই কিশোর বয়ষের শিক্ষার্থী ও তরুন।
অভিভাবকদের অসচেতনা, ট্রাফিক ব্যাবস্থা ও আইন প্রয়োগে দুর্বলতা থাকার কারনে এই দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
এই পরিস্ৎিতি থেকে উত্তোরন হওয়া জরুরি হয়ে পরেছে বলে মনে করেন সচেতন মহল।
অভিভাবকদের মাঝে জনসচেতনা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের হাতে মোটরসাইকেল না দেয়ার জন্য অবিভাবকদের পরামর্শ প্রদান করা প্রয়োজন।
পাশাপাশি হাইস্পিডে বাইক চালানোর জন্য ট্রফিক আইন ও জোরদার করতে হবে।এতে করে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা