1. admin@moheshpurnews24.com : admin :
October 20, 2026, 4:37 pm
শিরোনামঃ
গাইবান্ধার‌ সাঘাটা উপজেলায় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় ছেলে, পরে কারাগারে ফেরত পলাশবাড়ী উপজেলায় জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার-৮ নেত্রকোনায় বিএনপি নেতার নেতৃত্বে এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে কাঁচা সড়ক মেরামত ফরিদপুরে গোপালপুর বাবুপাড়া সন্তোষ বাবুর বাড়ীতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে আখ চাষিদের প্রণোদনা দিলেন দোয়ারাবাজারে সাংবাদিকের উপর হামলাকারী মাদক সম্রাট আহাদ ভূইয়ার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন নেএকোণায় সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্র ও সরঞ্জামসহ যুবক গ্রেপ্তার আমতলীতে অসহায় বৃদ্ধা জয়তনের পাশে স্বপ্নছোঁয়া, দিল এক মাসের বাজারসামগ্রী নেত্রকোনায় বসার আসন না ছেড়েই ‘কাঠের ক্রেন’ দিয়ে চা–বিস্কুট পরিবেশন করেন হাতেম আলী
ব্রেকিং নিউজঃ
গাইবান্ধার‌ সাঘাটা উপজেলায় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় ছেলে, পরে কারাগারে ফেরত পলাশবাড়ী উপজেলায় জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার-৮ নেত্রকোনায় বিএনপি নেতার নেতৃত্বে এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে কাঁচা সড়ক মেরামত ফরিদপুরে গোপালপুর বাবুপাড়া সন্তোষ বাবুর বাড়ীতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে আখ চাষিদের প্রণোদনা দিলেন দোয়ারাবাজারে সাংবাদিকের উপর হামলাকারী মাদক সম্রাট আহাদ ভূইয়ার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন নেএকোণায় সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্র ও সরঞ্জামসহ যুবক গ্রেপ্তার আমতলীতে অসহায় বৃদ্ধা জয়তনের পাশে স্বপ্নছোঁয়া, দিল এক মাসের বাজারসামগ্রী নেত্রকোনায় বসার আসন না ছেড়েই ‘কাঠের ক্রেন’ দিয়ে চা–বিস্কুট পরিবেশন করেন হাতেম আলী

পাইকগাছায় প্রশ্নের মুখে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)

  • Update Time : Tuesday, February 24, 2026

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:-
খুলনার পাইকগাছা-আগড়ঘাটা থেকে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের কাজ চলাকালে মাটি খুঁড়ে উঠে আসে আন্ডারগ্রাউন্ড টেলিযোগাযোগ কেবল। এরপরই শুরু হয় প্রশ্নের ঝড়—কত কিলোমিটার কেবল ছিল, কত তোলা হয়েছে, কোথায় জমা হয়েছে, আর তার আর্থিক মূল্য কত?
সংশ্লিষ্ট দপ্তর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান ও আলেক রহমান অপসারিত কেবলের কোনো সুস্পষ্ট অফিসিয়াল হিসাব দেখাতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।
সড়ক উন্নয়ন কাজ করছে রোডস এন্ড হাইওয়ে। কাজের সময় কেবল তোলা হয়েছে—এ কথা স্বীকার করলেও মোখলেছুর রহমান জানান, “এই রুটে মোট কত কিলোমিটার কেবল ছিল, সঠিক বলতে পারছি না।”
ঠিক কত কিলোমিটার কেবল অপসারণ হয়েছে—এ সম্পর্কেও তার কাছে কোনো লিখিত অনুমোদন বা ওয়ার্ক অর্ডার ছিল না। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে কিনা—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, “মোবাইলে জানানো হয়েছে।”

আরও বিস্ময়কর তথ্য হলো—তিনি দাবি করেন বর্তমানে ওই লাইনে কোনো সচল টেলিফোন সংযোগ নেই। কিন্তু পুরোনো বা অকেজো লাইনের সংখ্যা সম্পর্কেও নির্দিষ্ট তালিকা দেখাতে পারেননি।
অপসারিত কেবলের স্টোর রেজিস্টার, স্টক এন্ট্রি, গ্রহণ-বিবরণী কিংবা সর্বশেষ এন্টির তারিখ সম্পর্কেও কোনো নথি উপস্থাপন করা হয়নি। ডিসপোজাল প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ব্যবহারযোগ্য হলে ব্যবহার হবে।” তবে স্ক্র্যাপ চিহ্নিতকরণ, নিলাম নোটিশ বা লিখিত আদেশের কোনো কপি নেই বলেও স্বীকার করেন।

মালামালের হেফাজতের দায়িত্বে কারা ছিলেন—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমি এবং আলেক নামে একজন কর্মচারী।” কিন্তু তাদের নির্দিষ্ট লিখিত দায়ভার সংক্রান্ত নথি দেখানো যায়নি।
একদিকে তিনি বলেন, “এখান থেকে কিছু হলে দায়ভার আমার।” আবার একই সঙ্গে দাবি করেন, “রাস্তা থেকে কেউ তার নিয়ে গেলে আমরা তো দেখতে পাই না।” এই দ্বৈত বক্তব্যেই বাড়ছে সন্দেহ।
স্থানীয়ভাবে ভাঙাড়ি দোকানে তামার তার বিক্রির তথ্য পাওয়া যাচ্ছে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “যদি কেউ বিক্রি করে, সেটা আইনের আওতায় পড়বে।” লিখিত অনুমতি ছাড়া অফিসের কেবল বাইরে গেলে তা বৈধ কি না—এ প্রশ্নে তিনি স্পষ্ট বলেন, “বৈধ হওয়ার সুযোগ নেই।” অর্থাৎ কোনো লিখিত বিক্রির অনুমোদন নেই—এ কথা তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে আলেক রহমানের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমার উর্ধ্বতন কর্মকর্তা আছেন, তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। আমি কিছুই জানি না।”
দীর্ঘ প্রায় এক যুগ ধরে একই দপ্তরে কর্মরত এই দুই কর্মকর্তার সময়েই কেবল অপসারণের ঘটনা ঘটেছে—এমন অভিযোগ স্থানীয়ভাবে ঘুরছে। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এখন তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।
আইনের নীতি অনুযায়ী অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অপরাধী বলা যায় না। কিন্তু ৮ কিলোমিটার কেবল অপসারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে লিখিত অনুমোদন নেই, ডিসপোজাল নথি নেই, আর্থিক রেকর্ড নেই—এই বাস্তবতা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে।
এখন জরুরি ভিত্তিতে নিরপেক্ষ তদন্ত, স্টোর ও আর্থিক অডিট এবং সংশ্লিষ্টদের দায়-দায়িত্ব নিরূপণ প্রয়োজন। বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর নজরে আনা সময়ের দাবি।
প্রশ্ন একটাই—সংস্কারের আড়ালে কি সরকারি কেবল হারিয়ে গেল?

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2024 Zahidit News
Theme Customized By bdit.com.bd