
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জে বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি বদলি আদেশ বাস্তবায়ন না হওয়াকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক জটিলতা ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি নির্দেশ জারির এক মাস পেরিয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট কর্মচারী এখনও আগের কর্মস্থলেই অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, গত মার্চ মাসে ভৈরব বাজারঘাটে সিনিয়র সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে জারি করা এক দপ্তরাদেশে কিশোরগঞ্জ এসএসএই/ওয়ে অফিসে কর্মরত সোহেল রানাকে সমবেতন ও সমস্কেলে নরসিংদীতে বদলি ও পদায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়। আদেশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল, নির্দেশটি অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, নির্দেশ জারির প্রায় এক মাস পরও তিনি কিশোরগঞ্জ পিডব্লিউআই অফিসেই দায়িত্ব পালন করছেন। বিষয়টি নিয়ে রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আলোচনা ও অসন্তোষ বাড়ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বদলির নির্দেশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করা বাধ্যতামূলক। তা না হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়ভাবে আরও শোনা যাচ্ছে, সংশ্লিষ্ট কর্মচারী শ্রমিক লীগের কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হওয়ায় বদলি বাস্তবায়ন বিলম্বিত হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তবুও বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।
রেল সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি সরকারি আদেশ বাস্তবায়ন না হওয়া প্রশাসনিক শৃঙ্খলার জন্য উদ্বেগজনক। দ্রুত বিষয়টি সমাধান না হলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা রয়েছে।
সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।