ম.ম.রবি ডাকুয়া | বাগেরহাট
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে খুলনা বিভাগে খুব কম সংখ্যক আসন বিএনপির করায়ত্ত হলেও।এরই মধ্যে বাগেরহাট জেলার চারটি আসনের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একটি মাত্র বিএনপির দখলে এসেছে যা কিনা আওয়ামীলীগের ঘাটি হিসেবে চিহ্নিত (বাগেরহাট-৩) মোংলা- রামপাল সংসদীয় আসন টি।
যেটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে সমাজসেবায় এবং রাজনীতিতে একজন পরিচ্ছন্ন সেবক হিসেবে পরিচিত স্থানীয় আপামোর জনসাধারণের নেতা লায়ন ড.ফরিদুল ইসলাম।
সুন্দরবন ও পরিবেশের বিশেষ দাযিত্বে থাকা ছাড়াও বাগেরহাটের গণমানুষের চক্ষু চিকিৎসা সেবা সহ স্থানীয় নিপিড়িত বিএনপির নেতাকর্মিদের দুঃসময় যিনি ছিলেন সকল সহযোগীতার ঢাল স্বরুপ।করনাকালিন যার সহযোগীতা ছিল হতদরিদ্র মানুষের ছায়া ও একজন অভিভাবক সুলভ।
মোংলা-রামপাল (বাগেরহাট-৩)আসনটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারন দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর ছাড়াও এখানে রপ্তানি প্রকৃয়াকরণ অঞ্চল ইপিজেড ছাড়াও এখানে বেশ কিছু স্বনামধন্য কলকারখানা সর্ববৃহত সাইলো এবং এর পার্শবর্তী সুন্দরবন সহ নানা গুরুত্বপূর্ন স্থান সংশ্লিষ্ট আসনটি।এখানে এর আগে নির্বাচিত সাংসদ তালুকদার আব্দুল খালেক একাধিকবা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী পরে তার স্ত্রী হাবিবুন নাহার পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান করেছেন।
১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাতে বাগেরহাট-৩ আসনের প্রকাশিত বেসরকারি ফলাফল থেকে এ তথ্যে জানা গেছে।
বাগেরহাট-৩ আসনের মোট ১০৬টি কেন্দ্রে লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম ১ লাখ ৩ হাজার ৭১১ ভোট পেয়ে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এ্যাডভোকেট মাওলানা শেখ আব্দুল ওয়াদুদকে ২০ হাজার ৬০৬ ভোটে পরাজিত করে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।
এ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬৪। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৫০, নারী ভোটার ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫১০ ও তৃতীয় লিঙ্গ ৪ জন ভোটার ছিলেন।যার মধ্যে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পায় ৮৩ হাজার ১০৫ ভোট।
বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম কে নির্বাচিত করায় ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তৎখনাৎ বলেন, নির্বাচনকালীন সময় ভোটারদের যে ওয়াদা করা হয়েছিল তা বাস্তবায়নে কাজ করবেন। তিনি আরো বলেন মাদক ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জনমত ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
স্থানীয় আপামোর জনসাধারণ ও বাসীন্দাদের অভিমত গুরুত্বপূর্ণ এ আসনে নির্বাচিত এমপিকে দেশের একটা গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় দাযিত্ব দেয়া হোক।যা বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের চেয়ে অধিক কার্যকর ভূমিকা পালনে সহায়তা করবে গুরুত্বপূর্ণ এ বন্দর সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে যাতে আরো বেগবান করা সম্ভব হয়।