বিশেষ প্রতিনিধি, নোয়াখালী থেকে
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের স্বাস্থ্য সহকারী(টিকাদানকারী) হুমায়ুন কবির মিলনের বিরুদ্ধে নতুন নিয়োগ প্রাপ্ত সহকর্মীর থেকে টাকা আত্মসাৎ এবং কর্মস্থলে অনুপস্থিতির গুরুতর অভিযোগ উঠছে।
দীর্ঘদিন থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ও উপজেলায় সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রায় ৩০জন সহকর্মীদের থেকে বিভিন্ন খাত দেখিয়ে ও সরকার দলীয় প্রভাব খাটিয়ে টাকা নেয়া অভিযোগ করেছেন নিয়োগপ্রাপ্ত কয়েকজন।
এ ব্যাপারে নোয়াখালীর সিভিল সার্জনকে অভিযোগ আকারে অভিহিত করা হয় কর্মরত ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ, তবে সিভিল সার্জন লিখিত অভিযোগ পেলে অফিসিয়ালি পদক্ষেপ নিবে বলে আশ্বাস দেন।
এছাড়াও এই ব্যাপারে বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডাঃ শেখ ফজলে রাব্বি খানকে ও অভিহিত করা হয়েছে।
এদিকে খবর নিয়ে জানা যায়, সারাদেশে হামের পাদুর্ভাব মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগের জরুরি অবস্থা রয়েছে সকলের ছুটি বাতিল করেছে সরকার।
তারপরও বেগমগঞ্জের ১৫নং শরীফপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের স্বাস্থ্য সহকারী হুমায়ুন কবির মিলন গত কিছু থেকে তার কর্মস্থলে ছুটি বিহীন অনুপস্থিত এ সময় টিকা কেন্দ্রে তার কাজ সম্পূর্ণ করতে কাজ করেন সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত একজন মাত্র স্বাস্থ্য সহকারী। তার অনুপস্থিতির বিষয়টি তার সহকর্মী নিশ্চিত করেন।
এছাড়াও উক্ত স্বাস্থ্য সহকারী প্রায় সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি পরিচয়ে বিভিন্ন বিভাগে নিজেকে জাহির করতে ব্যস্ত থাকে বেশি সময়।
এছাড়াও সরকারি দলের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন সুবিধা আদায়ের ব্যস্ত থাকে সবসময়।
যদিও এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কামাক্ষ্যা চন্দ্র দাস তার ব্যাপারে কিছু জানেন না ও তার কোন দলীয় পদবী ও নেই বলে নিশ্চিত করেছেন।
তারই ধারাবাহিকতায় তার বিরুদ্ধে নতুন যোগদানকৃত স্বাস্থ্য সহকারী থেকে টাকা আত্মসাৎ করার সুনির্দিষ্ট প্রমান পাওয়া গেছে।
যেখানে প্রতিজন স্বাস্থ্য সহকারী থেকে ৫৩০০-৫৮০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ আদায় করার প্রমাণ পাওয়া গেছে, ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে যে বক্তব্য পাওয়া যায় যার রেকর্ড সাংবাদিকদের হাতে পৌঁছেছে।
তারা বলেন আমরা নতুন, কিছু বুঝিনা আমাদেরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে টাকাগুলো থেকে নিয়েছে।
আমরা নতুন যোগদান করেছি ভয়ে আমরা টাকা দিয়।
এ বিষয়ে কয়েকটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে।
আশা করছি খুব দ্রুত সিভিল সার্জন মহোদয় ব্যবস্হা গ্রহণ করবেন।