
মহেশপুর প্রতিনিধি।
মহেশপুর পৌর সভার তিন নম্বর ওয়ার্ড নওদা গ্রামের ঘাট পাড়ার শ্যামল হালদার বয়স ৫০ পিতা মহেন্দ্র হালদার ।তার বাড়িতে সন্ধ্যার পরে প্রতারক চক্রের দুই সদস্য এসে হাজির হয়। হালদারের মেয়েকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে আজ রাতে যশোরের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রতারক চক্রের সদস্যরা বলে। বাড়ির মালিক শ্যামল হালদারের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, তার মেয়েকে পুলিশে চাকরি দিবে বলে মেডিকেল করার জন্য আজ রাতে যশোরে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলে। প্রতারক চক্রের সদস্যরা তাদের উর্ধ্বতন ব্যক্তি আরিফ রেজার নাম বলেন যিনি অনেক মানুষ কে চাকরির ব্যবস্থা করতে পারেন বলে চাকরি প্রার্থীকে বলে। প্রতারক মায়া বেগম বয়স ৪২ স্বামী ওমেদুল ইসলাম বয়স ৫৫, গোপালপুর ,বেলেমাট বাজার এ একজন চায়ের দোকানদার। প্রতারক মায়া বেগমের কথাবার্তা অসংলগ্ন হলে ভুক্তভোগীর পিতার সন্দেহ হয় এবং প্রতিবেশীকে ডাকেন। তারপর গ্রামবাসী এসে হাজির হয়। সন্দেহের ব্যাপার হলো বেলা 11:30 টায় প্রতারক চক্র আসে কথা বলে। সাড়ে বারোটায় বেলেমাট বাজারে বাবার সাথে চাকরি প্রার্থী মেয়ে যায় ও সেখানে চাকরিপ্রার্থী মেয়েকে প্রতারক চক্রের গডফাদার আরিফ রেজা একটা মোবাইল সেট দেওয়ার কথা বলে।পরে বাড়ি ফিরে আসে ।এবং সন্ধ্যার পরপরই মেডিকেল করার জন্য প্রতারক চক্রে ওই দুইজন সদস্য বাড়িতে চলে আসে মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার জন্য । মায়া এবং তার স্বামী ও অমেদুল ইসলাম কে গ্রামবাসী বসিয়ে রাখে এবং পুলিশের খবর দেয়। পুলিশ আসলে পরে প্রতারণার শিকার হতে যাওয়া রুপার পিতা শ্যামল হালদারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।