চট্টগ্রাম বিশেষ প্রতিনিধি: (আহমদ রেজা)
১৬ই জুলাই চট্টগ্রামের মুরাদপুরে সংঘটিত আন্দোলনে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরামের লাশ নিয়ে যারা রাজপথে অবস্থান নিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে সিটি মেয়র ড: শাহাদাত এর নেতৃতে অন্যতম ছিলেন মহানগর যুবদলের নেতা মোঃ জাবেদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সেক্রেটারি, ছাত্রনেতা নোমান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সেদিন গুলির মুখে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও তারা আন্দোলনের ময়দান ছাড়েননি। শহীদ ওয়াসিম আকরামের লাশের পাশে বসে ছাত্রনেতা নোমান কান্নায় ভেঙে পড়েন। একই সময়ে যুবদল নেতা মোঃ জাবেদ সালাউদ্দিন সাহেদ (যুগ্ম আহ্বায়ক, চট্টগ্রাম ছাত্রদল), চট্টগ্রাম মহসিন কলেজ ছাত্রদল, সিটি কলেজসহ মহানগরের বিভিন্ন কলেজের ছাত্রদল নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে বুক চিতিয়ে রাজপথে অবস্থান নেন এবং আন্দোলনকারীদের সাহস জোগান।
আন্দোলন সংশ্লিষ্টদের মতে, ওই দিনের ঘটনাবলি কোনো আবেগঘন গল্প নয়; বরং তা আন্দোলনের ইতিহাসের এক রক্তাক্ত ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।
আগামী ২৫ জানুয়ারি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফরকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে দাবি উঠেছে—মুরাদপুর আন্দোলনে সাহসিকতার সঙ্গে ভূমিকা রাখা এই পরীক্ষিত নেতাদের অবদান যেন দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের কাছে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়।
নেতাকর্মীরা বলেন, মোঃ জাবেদ, নোমান, সালাউদ্দিন সাহেদসহ মহানগর বিএনপির অঙ্গসংগঠনের ছাত্রনেতা ও বিভিন্ন কলেজের ছাত্রদল নেতাকর্মীরা কোনো সুযোগসন্ধানী নন। তারা দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে সক্রিয় থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাদের ত্যাগের স্বীকৃতি দিলে দলীয় নেতাকর্মীদের মনোবল আরও দৃঢ় হবে এবং ভবিষ্যৎ আন্দোলনের শক্তি বৃদ্ধি পাবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।