
স্টাফ রিপোর্টার, কিশোরগঞ্জ:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাবেক ১নং সহ-সভাপতি, কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদল নেতা আব্দুর রহমান রাজিবের সৌজন্যে আয়োজিত এ আনন্দ মিছিলে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
মঙ্গলবার বিকেলে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আনন্দ মিছিলটি। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে পুনরায় নির্ধারিত স্থানে এসে শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মীদের হাতে দলীয় পতাকা ও বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন দেখা যায়। তারা যুবদলের নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দলের ঐক্য, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
মিছিলে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীরা বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা ও কর্মচাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আয়োজক আব্দুর রহমান রাজিব বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন করায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এই কমিটি দেশের তরুণ সমাজকে সংগঠিত করতে এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমরা নবগঠিত কমিটির সকল নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।”
তিনি আরও বলেন, যুবদল দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। নতুন কমিটির নেতৃত্বে সংগঠন আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে এবং দেশের যুবসমাজের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
আনন্দ মিছিলে কিশোরগঞ্জ জেলা ও বিভিন্ন ইউনিটের বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। মিছিলকে ঘিরে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নেতাকর্মীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও স্লোগানে শহরের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ হয়।
মিছিলে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীরা নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সফলতা কামনা করে বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়ন এবং সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও সুসংহত করতে যুবদল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আনন্দ মিছিল শেষে দেশের গণতন্ত্র, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।