নওগাঁ প্রতিনিধি :
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার হাজিনগর ইউনিয়নের শিবপুর ভূমি অফিসে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে পাল্টা ব্যাখ্যা দিয়েছেন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদ। তিনি দাবি করেছেন—ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা ও নিয়মিতীকরণ নিশ্চিত করতে গিয়ে একটি মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
কৌশিক আহমেদের ভাষ্য—
*“সরকারি বিধি-বিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করায় কিছু ব্যক্তির অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। নিয়মিত ফি ছাড়া কোনো অর্থ গ্রহণ করিনি। কয়েকজন ব্যক্তির অসন্তুষ্টিকে ইচ্ছাকৃতভাবে অভিযোগ হিসেবে ছড়ানো হচ্ছে।”*
তিনি আরও বলেন, ভূমি সেবা ডিজিটাল হওয়ায় এখন অনেক কাজ অনলাইন মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। প্রক্রিয়াগত সময় লাগে বলেই অনেকেই ভুলভাবে ধরে নেন যে বিলম্ব মানেই অনিয়ম।
ভূমি অফিস–সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, নিয়মিত সেবা ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার চেষ্টা করা হলে স্থানীয় দালালচক্র ক্ষুব্ধ হয়। তারা সুবিধা না পেয়ে বিভিন্ন অভিযোগ ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।
সূত্রটির বক্তব্য—
*“আগে যে অনিয়ম চলত এখন তা বন্ধ করা হয়েছে। ডিজিটাল সিস্টেমে খতিয়ান, নামজারি, রাজস্ব আদায়—সব কিছু নিয়মের মধ্যে হচ্ছে। এতে কিছু মানুষের সুবিধা কমে গেছে।”*
নিয়ামতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজাউল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ তার দপ্তরে জমা পড়েনি। তবে অভিযোগ এলে যথাযথ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন—
*“ভূমি অফিসে অনিয়মের সুযোগ নেই। গ্রাহকের স্বার্থে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক। কেউ হয়রানির শিকার হলে লিখিত অভিযোগ দিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা জানান, হোল্ডিং সংশোধন, খাজনা পরিশোধ, নামজারি—সব সেবা এখন অনলাইনভিত্তিক হওয়ায় ঘুষ বা অনিয়মের সুযোগ অনেক কমেছে। সাধারণ মানুষও ধীরে ধীরে অনলাইন সেবায় অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন।