কাঠালিয়া সংবাদদাতা:
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার ৫নং শৌলজালিয়া ইউনিয়নের রাজনীতি ও সমাজসেবায় এক পরিচিত ও আস্থার নাম আতিকুর রহমান রুবেল। তিনি ছাএজীবন থেকেই বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান ও ছাএ রাজনীতির সাথে জড়িত। ১৯৯৩ সনে কচুয়া হাইস্কুলে ৭ম শ্রেণির ছাএ থাকাকালীন সময়ে ততকালীন সংসদ সদস্য মেজর শাহজাহান ওমর বীর উত্তম কচুয়া হাইস্কুল পরিদর্শনে আসলে তখন থেকেই তিনি বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়ে জাতীয়তাবাদী ছাএদলের রাজনীতি করা শুরু করেন।
পরবর্তীতে তিনি বিভিন্ন সভায় বক্তব্যে দেয়ার ফলে পরিচিত বেড়ে যায় এবং সাংগঠনিক দক্ষতার ফলে পরবর্তীতে শৌলজালিয়া ইউনিয়ন ছাএদলের নেতৃত্বে আসেন। ১৯৯৭ সনে কাঠালিয়া উপজেলা ছাএদলের সমাজসেবা সম্পাদক ও ২০০৩ সনের কাউন্সিলে কাঠালিয়া উপজেলা ছাএদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং ২০০৪ সন থেকে ২০০৬ সন পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন আতিকুর রহমান রুবেল। ২০০৬ সনের ৯ এপ্রিল বরিশাল বিভাগীয় ছাএদলের তৃনমুল প্রতিনিধি সভায় বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব ও বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর উপস্থিতিতে কাঠালিয়া উপজেলার এক মাএ আতিকুর রহমান রুবেল বরিশাল স্টেডিয়ামে বক্তব্য রাখেন। তারপর থেকে তিনি দলীয় কোন কমিটিতে থাকেন নাই। ২০০৮ সনের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামাল এর পক্ষে নির্বাচন করেন। পরবর্তীতে আতিকুর রহমান রুবেল নিজের সততা ও দক্ষতার জন্য জাতীয় সংসদ ও সচিবালয়ে এমপি ও মন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব এর চাকরী পেয়ে সততার সাথে চাকরী করেন। প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে চাকরীর সুবাদে তিনি কাঠালিয়া উপজেলায় জনকল্যাণে ব্যাপক উন্নয়ন করেন আতিক রুবেল।
ফলে জনগণের কাছে আস্থার এক নাম আতিকুর রহমান রুবেল।
তিনি শৌলজালিয়া ইউনিয়ন তথা কাঠালিয়া উপজেলায় বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন কাজ করা সহ অকৃত্রিম মানবতা এবং উন্নয়নমুখী মানুষ হিসাবে স্থানীয়রা তাঁকে আখ্যায়িত করছেন ‘জনদরদী নেতা’ ও ‘উন্নয়নের রূপকার’ হিসেবে।
রাজনীতির মূল লক্ষ্য যে জনসেবা, তা নিজের কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন রুবেল। অসুস্থ মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং অসচ্ছল পরিবারগুলোকে স্বাবলম্বী করতে তাঁর অবদান এলাকায় সর্বজনবিদিত।
শৌলজালিয়া ইউনিয়নের কাঁচা রাস্তাঘাট পাঁকাকরন, মসজিদ-মাদ্রাসা, স্কুল ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে আতিকুর রহমান রুবেল প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে চলেছেন। স্থানীয় মানুষের মৌলিক সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের জন্য তিনি প্রতিনিয়ত কাজ করছেন। এলাকার সচেতন মহলের মতে, প্রশাসনিক কোনো বড় পদে না থেকেও একজন ব্যক্তি কীভাবে নিজ উদ্যোগে এলাকার উন্নয়ন সাধন করতে পারেন, আতিকুর রহমান রুবেল তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ২০২১ সনে কচুয়া টু বেতাগী ফেরি পাস করিয়ে বাস্তবায়ন করায় অনেক পরিচিত পান রুবেল। কাঠালিয়া উপজেলার সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং প্রকল্পের আওতায় দুধ, ডিম,রুটি, কলা পাওয়ার ব্যবস্থা করেন আতিক রুবেল। কাঠালিয়া লঞ্চ টার্মিনালে বড় পন্টুন পাস করিয়ে আনেন তিনি। পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে জিও ব্যাগ পাস করিয়ে কাঠালিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নদী ভাঙ্গন থেকে তীর রক্ষার্থে ভূমিকা রেখেছেন। শৌলজালিয়া ইউনিয়ন ৫ টি কাঁচা রাস্তা পাকা করন পাস করিয়ে প্রশংসায় ভাসছে তিনি। সরকারি প্রাথমিক স্কুলের অনেক ভবন ও বাউন্ডারি ওয়াল পাস করিয়েছেন। ডিজিটাল ল্যাব ও ডিজিটাল ক্লাস রুম পাস করিয়ে দিছেন বিভিন্ন স্কুলে।
তিনি মানবসেবায় এমন কোন কাজ নেই যাহা আতিক রুবেল করেন নাই। ৭১ জন অসহায় বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীকে সমাজ কল্যান মন্ত্রনালয় থেকে হুইল চেয়ার পাস করিয়ে নিজ খরচে কচুয়াতে নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিতরন করেছেন। এছাড়াও শীত বস্র কম্বল, ঈদ ও পুজায় শাড়ী, লুঙ্গি ও পানজাবী বিতরণ সহ নানাবিধ মানবিক কাজ চলমান রেখেছেন তিনি। কাঠালিয়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা সহ এমন কোন কাজ নেই যাহা তিনি করেন নাই। বর্তমানে তিনি বিষখালী নদীতে কচুয়া টু বেতাগী সেতু নির্মান এর জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল এর সহায়তা নিয়ে বিভিন্ন চেষ্টা চলমান রাখছেন।
ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের সুখ-দুঃখের সহযাত্রী হয়ে ওঠা এই নেতাকে ঘিরে এখন শৌলজালিয়ার আপামর জনতার নানামুখী প্রত্যাশা। স্থানীয়রা জানান, রাজনৈতিক সংকীর্ণতার উর্ধ্বে উঠে তিনি যেভাবে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাতে আগামী দিনে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে রুবেল এর বিকল্প নেই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সমাজসেবক আতিকুর রহমান রুবেল বলেন, “আমি পদের জন্য কিংবা বাহবা পাওয়ার জন্য কাজ করি না। শৌলজালিয়ার মাটি ও মানুষের সাথে আমার আত্মিক সম্পর্ক।
মহান আল্লাহ ও রাসূল পাক হুজুরের নির্দেশনা অনুযায়ী সততার সাথে মানুষদের কল্যানে কিছু করার চেষ্টা করি মাএ।
আমৃত্যু এলাকার প্রতিটি মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে শৌলজালিয়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন মডেল ইউনিয়নে পরিণত করাই আমার একমাত্র স্বপ্ন।”