
মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি
গাইবান্ধা সাদুল্লাপুর উপজেলা বনগ্রাম ইউনিয়নের ইদ্রাকপুর বাজার থেকে ইসবপুর গ্রামে অবস্থিত এবং তার অপর আরও একটি ভাটার নামকরন দেন রাজু ও তার ছেলে সিফাত (আর এন্ড এস) ব্রিকস।
যাহার অবস্থান জামালপুর ইউনিয়নের তরফবাজি গ্রামে।এই দুই ইটভাটা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী সঙ্গে শুক্রবার(২৭ ফেব্রুয়ারি) তারাবি নামাজ শেষে সাদুল্লাপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের নির্মাণ কাজ দেখার প্রাক্কালে মতবিনিময়।
সে সময় নিজের দুটি ভাটার ইটের গুনগত মান নিয়ে অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন।১৯৯৫ সালে স্নাতক ডিগ্রি পাশের পর চাকুরির পিছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখেন।
তিনি বলতে গেলে ১৯৯৬ সালে একেবারে কাঁচা হাতে শুরু করেন ইট ভাটার ব্যবসা।বিভিন্ন চড়াই-উৎরাই পাড়ি দিয়ে তিনদশক অর্থাৎ ত্রিশ বছর ধরে চলছে তার সফলতার সাথে ইটের ব্যবসা।
সাধারন মানুষের সঙ্গে সহজ সরলভাবে চলছে তার দীর্ঘদিনের পথচলা,সাদুল্লাপুর পোষ্ট অফিস সড়কের গার্লস ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন বাসায় বসবাস।নিজের মাঝে নেই ঝুট ঝামেলা।একে বারে প্রকৃত ব্যবসায়ীর যে গুন থাকা দরকার তার মধ্যে আছে যথেষ্ট তা সকলের লক্ষনীয়।
সাদুল্লাপুর শহরে গড়ে উঠেনি সেভাবে কোন শিল্প কলকারখানা।অবহেলিত সাদুল্লাপুরে মানুষের জন্য নেই কোন যথেষ্ট কর্মক্ষেত্র।কিন্ত রেজাউল হক প্রধান রাজু তার দুটি ইটভাটা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সিফটে শ্রমিক কাজ করেন প্রায় তিন শতাধিক।
বলতে গেলে পুরোটা বছর ওই ভাটাগুলোতে কোন না কোন কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন শ্রমিকরা।শত বাঁধা আশার পরেও সে নিরবে নিভৃতে এলাকার সাধারণ মানুষের কর্মক্ষেত্র তৈরি করেন।এর মাধ্যমে শতশত পরিবারের সদস্যের মুখে হাঁসি ফোটাতে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন তিনি।
এছাড়াও এলাকায় সামান্য আয়ের লোকদের যারা টিন কিংবা অন্য কোন উপায়ে সামান্য ঘর দিয়ে বসবাস করতো, তাদের বাকীতে ইট দিয়ে সুবিধামত সময়ে টাকা পরিশোধের সুযোগ সৃষ্টি কর দিয়ে ইটের বাড়ি নির্মাণের সহযোগিতা করেন তিনি।
যুগের পর যুগ ধরে এলাকার সকল শ্রেণি পেশার মানুষের কাছে তিনি একজন আস্থা এবং বিশ্বাসের লোক হিসাবে পরিগণিত হয়ে দাঁড়িয়েছে।তার এ ব্যবসার ধারাবাহিকতা অটুট থাকার জন্য সমাজের সকলের সহযোগিতা ও সহমর্মিতা কামনা করেন।