
নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঝালকাঠি শহরের পাশ দিয়ে বয়ে চলা সুগন্ধা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের প্রস্তুতি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠী জেলা যুবদলের এক নেতার বিরুদ্ধে, যিনি এলাকায় ‘ডাক্তার’ নামে পরিচিত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৯ মার্চ রাত থেকে বালু উত্তোলন শুরু করার লক্ষ্যে তিনি সম্প্রতি শহরের বান্দাঘাট ও কলাবাগান ভেরিবাদ এলাকায় দফায় দফায় গোপন বৈঠক করেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক জেলার শীর্ষ নেতা বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের নাম ব্যবহার করে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। এর মাধ্যমে প্রশাসনিক বাধা এড়িয়ে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।
এছাড়া আরও জানা যায় ঈদুল ফিতরের পুর্বে একই চক্র প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করার কথা বলে অবৈধ বালু উত্তোলনের অর্থ ভাগাভাগি করেছে। এতে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক জেলা পর্যায়ের নেতা এবং বর্তমান জেলা উপজেলা পর্যায়ের কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। ঐ চক্র এমপির কাছের লোক দিয়ে প্রশাসনকে মাসহারা দিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন কার্যক্রম জোরদার করা হবে বলে প্রচার করছে। পুর্বে ড্রেজার মালিক সুলতান এলআর ফান্ডে টাকা দেয়ার কথা বলায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনিক তৎপরতা দেখা যায়। ঈদের পরে প্রশাসন কে ম্যানেজ করা হয়েছে ভাই সব দেখবে জানিয়ে ড্রেজার মালিকদের বালু উত্তোলনের নির্দেশ দেয় ডাক্তার নামে পরিচিত যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক এবং ৯নং ওয়ার্ডে বসবাসরত স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক জেলার শীর্ষ নেতা।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে পোনাবালীয়া এবং ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের বেশ কয়েটি গ্রামের নদী ভাঙ্গন তীব্র হবে। নদীর পরিবেশ মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে। দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল সূত্রে জানা গেছে।