
নিজস্ব সংবাদদাতা।
১০ ডিসেম্বর (বুধবার) বিভিন্ন অনলাইন সোস্যল মিডিয়া ফেসবুকে মহেশখালীর কালারমারছড়া ভূমি অফিসে দাখিলা- খতিয়ান করতে গেলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে অভিযোগে শিরোনামে শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদটির একাংশের আমাদের স্থানীয় বাসিন্দাদের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। মুলত এর ব্যাখ্যা হিসেবে বলতে চাই একটি দালাল চক্র কালারমারছড়া ভূমি অফিসে সুবিধা করতে না পেরে সাংবাদিক ভাইদের হঠাৎ মিথ্যা তথ্য দিয়ে মনগড়া সংবাদ পরিবেশন করে ওই সিন্ডিকেট ভূমি অফিসে ফাঁয়দা লুটের চেষ্টা করছে বলে আমরা মনে করি।
অপরদিকে কালারমারছড়া ভূমি অফিসটি বাজারের লাগায়ো মানুষের সরগম থাকে। এখানে অনিয়ম হলে প্রথমে সাধারণ মানুষের চোখে পড়বে। তবে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হলে কাউকে ছাড় দিবেনা। আমরাও হয়রানিমুক্ত সেবা চাই।
এছাড়াও যতটুকু জানি তহসিলদার রিদোয়ান মোস্তফা নাগরিক সেবা দিতে গিয়ে হোয়ানক কেরুনতলী অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে আসছেন আমরা দেখে আসছি। সেখানেও বেশিভাগ সময় অতিবাহিত করেন। নিশ্চিত তিনি প্রশংসার দাবি রাখে।
এখানে তিনি সেবা দিতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে কিনা সেটা শক্ত ডকুমেন্টস কারোও কাছে নাই। এমনি উড়ে কথা বলে কি লাভ। পাশ্ববর্তী মাতারবাড়ী তহসিলদার শূন্য নাগরিক সেবা পাচ্ছেনা মানুষ। সেখানে দালাল সিন্ডিকেট তহসিলদার শূন্য করার ফাঁয়তারার একটি অংশ বলে আমরা মনে করি। যদি নাগরিক হয়রানি হয় উধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে সেবার মান বৃদ্ধি করা যায় অপপ্রচার করে ফাঁয়দা লুটের অংশ নয় কি?
এছাড়াও কালারমারছড়া ভূমি অফিসের মান ক্ষুন্ন করার জন্য তহসিলদার রিদোয়ানের বিরুদ্ধে কুচক্র মহল সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করেছেন। মুলত কম্পিউটার অপারেটর ফয়সালের নামে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে হয়তো ফয়সালে নামে যুবকটি কর্মকর্তার অজান্তে নয়ছয় করতে পারে এটি তার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। জনগণ হয়রানি বা অর্থ আদায়ের বিষয়ে তহসিলদারকে ভোক্তভোগিরা অভিযোগ করতে পারে। আর খাজনা আদায়ের বিষয়ে অনলাইনে টাকা পরিশোধ করার নিয়ম চালু করছে সরকার। তহসিলদার অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে বিষয়টি কাল্পনিক ছাড়া কিছুনা। আর যে কোন বিষয়ে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার রয়েছে। তবে তহসিলদারকে জড়িয়ে সরাসরি আক্রমণ সাংবাদিকতার পেশার মানকে কিছুটা হলে ক্ষুন্ন করে বলে আমরা স্থানীয়রা মনে করি।
এছাড়াও পেশাদার ভালো সাংবাদিকদের নাম বিক্রি করে ভূমি অফিসকে নিজের জিম্মায় নিতে চাই এক সাংবাদিকদের নাম ভাঙ্গিয়ে দালাল টাইফের যুবক। সেটি না পেরে সে যুবকটি উঠে পড়ে লেগেছে বলে আমরা শুনতেছি। তবে ভূমি অফিসে পেশাদার সাংবাদিকরা তেমন আসেনা। তাঁদের সুনাম রয়েছে সবর্ত্র। আর কম্পিউটার অপারেটর ফয়সাল সিন্ডিকেট তৈরি করে খাজনা ও খতিয়ান করার নিয়ম নাই। হয়তো নিজের সুবিধার জন্য সেবা প্রার্থীরা তহসিলদারের অজান্তে অর্থ দিয়ে থাকলে নিতান্তই বোকামি ছাড়া কিছুনা, আর সুবিধা পেলে ঠিক আছে না পেলে অভিযোগ করে বসা এটা এক ধরনের অমানবিক।
আর অনলাইনে বা পত্রিকায় বরাত দিয়ে সংবাদে অভিযোগের কথা বলা হয়েছে উক্ত সংবাদে তহসিলদারের ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য কোন তথ্য নাই। সংবাদটির সাথে বাস্তবতার কোন মিল নাই। তাই অনলাইনে বরাত দিয়ে যে কথা উল্লেখ করা হয়েছে তার অর্ধেক মিথ্যা ভিত্তিহীন কাল্পনিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। একটি কু-চক্র মহল আমাদের কালারমারছড়ার সুনাম ক্ষুন্ন জন্য আর আমাদের কালারমারছড়াকে বাঁকা চোখে দেখার জন্য সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্যদিয়ে সংবাদটি ছাপিয়েছেন।
তাই উক্ত প্রকাশিত সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আর সংবাদটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনসহ এলাকাবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।