নিরঞ্জন মিত্র (নিরু) (ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত এমপি প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইউসুফের নির্বাচনি প্রচারণা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে,(২৬ জানুয়ারি) সোমবার রাতে ইউনিয়নের হাট গোবিন্দপুর গ্রামের উত্তরপাড়া জামিয়া ইব্বাহিমা দারুল হাফেজিয়া মাদ্রাসা মাঠ প্রাঙ্গণে
নির্বাচনি প্রচারণা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনকালীন কমিটির কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের আহবায়ক এম.এ রাজ্জাক এর সভাপতিত্বে, নির্বাচনি প্রচারণা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, এমপি প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করাই বিএনপির মূল লক্ষ্য। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে আহবান জানান তিনি। তিনি আরোও বলেন, এই এলাকায় কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়নি। রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কারণে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, আমি আপনাদের কথা দিলাম নির্বাচিত হয়ে এলাকার চিত্র বদলে দেয়া হবে। এছাড়াও তিনি নির্বাচনি প্রচারণা সভার আয়োজক মীর নুরুল ইসলাম (নুরু)কে অসংখ্য ধন্যবাদ জনান।
কারণ তিনি আমার বাবা মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের নির্বাচনে গুনে কর্মক্ষেত্রে একজন যোগ্য কর্মী ছিলেন।
প্রচারণা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ. কে. এম কিবরিয়া স্বপন, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক আবজাল হোসেন খান (পলাশ), কোতয়ালী থানা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান চৌধুরী রঞ্জন।
নির্বাচনকালীন কমিটির ১ নং ওয়ার্ডের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য আজিজুর রহমান এর সঞ্চালনায়, প্রচারণা সভায়
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,
কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মোঃ মুরাদ হোসেন মিয়া, কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম মোস্তফা, হাট গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক ইসলাম মাষ্টার, কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি মোঃ ঈমান আলী খান, সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ, সাবেক ইউপি সদস্য সরদার মোঃ আইয়ুব হোসেন সহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতার্মীরা।
প্রচারণা সভায় দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ ভোটার অংশগ্রহণ করেন। বিশেষ করে নারী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এছাড়াও শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।