নিরঞ্জন মিত্র (নিরু) (ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরে ফিলিং ন্টেশনে (জ্বালানি তেলের পাম্প) পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল মজুদ থাকার পরও ভোক্তাদের তেল সরবরাহ না করে তেল নাই লিখে পাম্প বন্ধ রাখার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।
(২৮ মার্চ ) শনিবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত ফরিদপুর সদর উপজেলার ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়কের পাশে কানাইপুর হোসেন ফিলিং স্টেশন ও রয়েল ফিলিং স্টেশনে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
হোসেন ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল- অকটেন নেই লেখা থাকলেও পাম্পটিতে ৭ হাজার লিটার পেট্রোল, ৬ হাজার ৫০০ লিটার অকটেন ও ১৪ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল মজুত থাকার পরও ভোক্তাদের তেল সরবরাহ না করে তেল নাই লিখে পাম্প বন্ধ করে রাখা হয়।
এ সময় অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় হোসেন ফিলিং স্টেশনে ২০০৯ সালের ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে পাম্পটিতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আদালত একই সাথে ভোক্তাদের বাস, ট্রাক, কৃষক, প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেল জন্য প্রয়োজনীয় পেট্রোলিয়াম প্রদান করার ব্যবস্থা করেন।
ফরিদপুরের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যার নির্দেশনায় পেট্রোলিয়াম পণ্য মজুদ ও ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রি বন্ধ থাকার অভিযোগে, ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়ার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
এ-সময় উপস্থিত ছিলেন, সদর সহকারি কমিশনার (ভূমি ) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শফিকুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপ্ত চক্রবর্তী এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব রহমান আকাশ।
এদিকে একই মহাসড়কের পাশের কানাইপুর এলাকায় রয়েল ফিলিং স্টেশনে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় ভোক্তাদের কাছে শুধু ডিজেল বিক্রি করা হচ্ছে। কিন্তু পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ ছিল।
আদালত মজুদ যাচাই করে দেখতে পান সেখানে পেট্রোল রয়েছে তিন হাজার ৫০০লিটার, অকটেন রয়েছে তিন হাজার ৪০০ লিটার ও ডিজেল রয়েছে ১৯ হাজার লিটার। ওই ফিলিং স্টেশনের মালিক ও ম্যানেজার মেশিনের সমস্যা উল্লেখ করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তাৎক্ষণিকভাবে পেট্রোল ও অক্টেন ভোক্তাদের মাঝে সরবরাহের আদেশ দেন।