1. admin@moheshpurnews24.com : admin :
October 21, 2026, 3:36 pm
শিরোনামঃ
শোক সংবাদ: উখিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল বাসেতের মৃত্যু নেত্রকোনায় ফসল রক্ষা বাঁধ কেটে উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছ লুট, ইউএনও বরাবর গণ-অভিযোগ আর্ত মানবতার সেবায় নওদাগ্রাম মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন। গাইবান্ধার‌ সাঘাটা উপজেলায় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় ছেলে, পরে কারাগারে ফেরত পলাশবাড়ী উপজেলায় জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার-৮ নেত্রকোনায় বিএনপি নেতার নেতৃত্বে এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে কাঁচা সড়ক মেরামত ফরিদপুরে গোপালপুর বাবুপাড়া সন্তোষ বাবুর বাড়ীতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে আখ চাষিদের প্রণোদনা দিলেন দোয়ারাবাজারে সাংবাদিকের উপর হামলাকারী মাদক সম্রাট আহাদ ভূইয়ার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন নেএকোণায় সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মানববন্ধন
ব্রেকিং নিউজঃ
শোক সংবাদ: উখিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল বাসেতের মৃত্যু নেত্রকোনায় ফসল রক্ষা বাঁধ কেটে উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছ লুট, ইউএনও বরাবর গণ-অভিযোগ আর্ত মানবতার সেবায় নওদাগ্রাম মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন। গাইবান্ধার‌ সাঘাটা উপজেলায় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় ছেলে, পরে কারাগারে ফেরত পলাশবাড়ী উপজেলায় জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার-৮ নেত্রকোনায় বিএনপি নেতার নেতৃত্বে এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে কাঁচা সড়ক মেরামত ফরিদপুরে গোপালপুর বাবুপাড়া সন্তোষ বাবুর বাড়ীতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে আখ চাষিদের প্রণোদনা দিলেন দোয়ারাবাজারে সাংবাদিকের উপর হামলাকারী মাদক সম্রাট আহাদ ভূইয়ার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন নেএকোণায় সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মানববন্ধন

হাসপাতালে ঢুকে চিকিৎসককে হুমকিদমকির অভিযোগ মনোহরগঞ্জ থানার ওসির ও এসআই সহ একাধিক পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে

  • Update Time : Friday, April 3, 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে ঢুকে কর্তব্যরত চিকিৎসকের সঙ্গে অশ্লীল আচরণ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে মনোহরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিনূর ইসলাম ও এসআই মোশারফ হোসেন সহ একাধিক পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।

গত ৩১ মার্চ রাত প্রায় ১১টা ৫৬ মিনিটে এক চোরকে আহত এক রোগীকে জরুরি বিভাগে আনা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মুহাম্মদ মফিজুর রহমান রোগীর চিকিৎসা শুরু করে অবস্থার অবনতি দেখে দ্রুত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। ঠিক সেই সময়ই ঘটনাস্থলে হাজির হন মনোহরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনূর ইসলাম ও একাধিক পুলিশ সদস্য। অভিযোগে বলা হয়েছে, পুলিশ সদস্যরা চিকিৎসা কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করেন এবং চিকিৎসককে চাপ প্রয়োগ করেন। একপর্যায়ে তারা অশ্নীল ভাষায় কথা বলেন এবং প্রকাশ্যে হুমকি দেন।

শুধু তাই নয়, চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ‘সরকারি ওষুধ বাইরে বিক্রি’ করার মতো গুরুতর অভিযোগও তোলেন তারা—যা পরে তদন্তে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়েছে। ঘটনার পর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. প্রিয়াঙ্কা চক্রবর্তী তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। হাসপাতালের কর্মীদের জবানবন্দি ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে কমিটি নিশ্চিত হয়—চিকিৎসকদের সঙ্গে পুলিশের অশোভন আচরণ ঘটেছে।

পুলিশ চিকিৎসা কার্যক্রমে অযাচিত হস্তক্ষেপ করেছে চিকিৎসকদের সঙ্গে অশ্লীল আচরণ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পাওয়া মিলেছে। প্রতিবেদনে এসব আচরণকে “চরম অসহনীয় ও পেশাগত পরিবেশবিরোধী” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানসিক চাপে ভুগছেন। এ ধরনের ঘটনা চিকিৎসা সেবার পরিবেশ নষ্ট করছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। এ ঘটনায় মনোহরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিনূর ইসলাম ও এসআই মোশারফ হোসেন সহ একাধিক পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে গতকাল কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন থেকে কুমিল্লা পুলিশ সুপার, চট্টগ্রাম রেঞ্জ-ডিআইজি ও পুলিশ সদর দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।

উক্ত বিষয়ে মনোহরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহিনূর ইসলাম এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন যে, পাবলিক চোরকে ধরে বেদম ভাবে পিটায়, নাক, মুখ সহ শরীরের নানান স্থানে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। পুলিশ চোরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতে শুধু মাত্র প্রেসার মেপের, কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজে রেফেয়ার করে দেন। কিন্তু তার শরীরের নানা স্থানী রক্ত ক্ষরণ বন্ধ করার কথা বললে ডাক্তার রেগে যায়। তখন ওসি ইউএইচএন্ডএফপিও কে ফোন করলে ডাক্তার তাকে বিভিন্ন ইনজেকশন দেওয়া সহ রক্ত ক্ষরণ বন্ধ করেন ও একজন পুলিশ সদস্য আহর আসামিকে পাহারার জন্য রেখে আসা হয়েছিলো বলে ওসি দাবি করেন। তিনি আরও বলেন তবে ডাক্তার প্রথমে পুলিশ নিয়ে নানান মন্তব্য করেন, এক পর্যায়ে দু”জনের মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2024 Zahidit News
Theme Customized By bdit.com.bd