আবু কাওসার মাখন
রাজশাহী ব্যুরো
রাজশাহীতে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো)-এর বিদ্যুৎ বিলের কাগজে ‘প্রিপেইড মিটার চেঞ্জ’ সংক্রান্ত সিল মারার ঘটনায় সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে রাজশাহী সাধারণ মানুষ মনে বিভিন্ন চায়ের দোকানে আলোচনা শোনা যাচ্ছে।
ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, কোনো পূর্বঘোষণা বা বিস্তারিত ব্যাখ্যা ছাড়াই হঠাৎ করে বিদ্যুৎ বিলের কাগজে প্রিপেইড মিটার পরিবর্তনের সিল দেওয়া হচ্ছে। এতে তারা বিভ্রান্ত ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছেন। অনেকেই বিষয়টি বাধ্যতামূলক কিনা বা কীভাবে মিটার পরিবর্তন করতে হবে—সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাচ্ছেন না।
স্থানীয় একাধিক গ্রাহক জানান, বিল হাতে পাওয়ার পর এমন সিল দেখে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তাদের দাবি, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগে গ্রাহকদের সঙ্গে আলোচনা ও গণসচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন ছিল।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগ উঠেছে, প্রিপেইড মিটার স্থাপন না করলে অতিরিক্ত বিলের চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে ধারণা করছেন গ্রাহকরা। আজ আগে থেকে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের অভিযোগ বিল সাথে মিটারে মিল নাই কোন মাসে অতিরিক্ত বিল কোন মাসে একেবারে কম ইচ্ছা করে ১০০ /২০০ রিডিং দিয়ে বিল বাড়িয়ে দেওয়া বিভিন্ন অনিয়ম নেসকোর বিরুদ্ধে এর মাঝে প্রিপেইড মিটার নিয়ে নতুন আতঙ বিরাজ করছে রাজশাহীবাসী।
এই বিষয় নিয়ে নেসকো রাজশাহী নির্বাহী পরিচালক জানান,আমরা সিল বিলের কাগজে মারা উদ্দেশ্য সাধারন মানুষকে সচেত্ন করে মিটার লাগাতে চাই এবং সরকারে পক্ষ থেকে আমাদের দিক নির্দেশনা দেওয়া আছে প্রিপেইড মিটার লাগানোর জন্য।
এই বিষয় নিয়ে রাজশাহী স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সদস্য সচিব বলেন, প্রিপেইড মিটার বিগত ফ্যাসিবাদের সরকারে আমলের পরিকল্পনা যা জনগনের উপরে চাপানো হচ্ছে। নেসকো জোর করে জনগনের ঘাড়ে জোর করে প্রিপেইড মিটার ও বিলের কার সাজি ১০০ রিডিং এত রেট ২০০ এত রেট চাপানো পায়তারা করছে।সরকারী ভাবে কোন নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। রাজশাহীর জনসাধারণ এই প্রিপেইড মিটার আগেও মেনে নেইনি এখনো মেনে নিবে না।আমরা রাজশাহী স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটি সাধারণ মানুষ হয়ে কাজ করবো তাদের পাশে থাকবো।প্রয়োজনে রাজশাহী বাসীকে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তোলা হবে।