খ,ম,জায়েদ হোসেন,নাসিরনগর
(ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) প্রতিনিধিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শুধু আলোচিত জেলা নয়,এটি এদেশের ইতিহাস ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক জেলারও একটি।
বর্তমান সংসদে এই জেলার সন্তান নির্বাচিত ও সংরক্ষিত ৫জন নারী এমপি থাকছেন এটিই আরেকটা ইতিহাস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জন্য। এবং ৫ জনই বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের আলোচিত নারী ব্যক্তিত্ব।
তার মধ্যে জেলার অন্যতম বৃহৎ উপজেলা নবীনগরের সন্তান দুজন,যারা সংরক্ষিত আসনে নির্বাচনের পথে রয়েছেন। একজন হলেন উপজেলার লাউর ফতেহপুর গ্রামের মানবাধিকার কর্মী ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলাম তুলি(বিএনপি)আরেকজন হলেন উপজেলা শাহপুর গ্রামের ইঞ্জিনিয়ার মারদিয়া মমতাজ(জামায়াত)
অপরদিকে আরেকজন হলেন সবার পরিচিত মুখ বাংলাদেশের কিংবদন্তি রাজনীতিবীদ ৫২ ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক,বীর সিপাহী ভাষা সৈনিক অলি আহাদ ও বাংলাদেশ শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক মহা পরিচালক রাশেদা বেগম দম্পতির একমাত্র সুযোগ্য কন্যা ও দেশের আলোচিত নারী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সরাইল আশুগঞ্জ বিজয় নগর আংশিক সংসদীয় ২৪৪ আসন থেকে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা(স্বতন্ত্র)।
আর দুজন হলেন সংরক্ষিত আসনে জেলার বিজয়নগর উপজেলার সন্তান সাবেক ছাত্রীনেত্রী নাদিয়া পাঠান পাপন(বিএনপি)ও অন্যজন হলেন ২০২৪ সালে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতন আন্দোলনে নিহত আলোচিত ছোট শিশু জাবির এর মাতা সংরক্ষিত আসনে জেলার আখাউড়া উপজেলার বাসিন্দা, নারী নেত্রী রোকেয়া বেগম(জামায়াত)
অর্থাৎ বিএনপি দলীয় দুইজন নারী সাংসদ ও জামাত দলীয় দুইজন নারী সাংসদ পাচ্ছে কর্মের মূল্যায়ন। যারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার জন্মসূত্রে বা পৈত্রিক সূত্রে বাসিন্দা।
জেলার ৯ টি উপজেলার সংসদীয় আসন হচ্ছে ৬টি।
আর সেই তুলনায় সংবিধান অনুযায়ী ৬ আসনের জন্য একজন নারী সাংসদ পাওয়ার কথা আমাদের। কিন্তু পেশাগত দায়িত্ব,বসবাস ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণে এই জেলার ৪জন নারী নেত্রী এবার সংসদে ঝড় তুলবেন।তারা সাথে আছেন সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত আরেকজন অভিজ্ঞ নারী সাংসদ ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার মতো নারী এমপি।
সব মিলিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৫ জন নারী সাংসদ থাকছেন এবারের সংসদে,যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নারী জাগরণের অভূতপূর্ব নিদর্শন হয়ে থাকবে আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে। সবার প্রত্যাশা তারা যেন দেশ ও দেশের মানুষের জন্য ঠিক মতো সুস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতে পারে।