ফাতিমা আক্তার মিম কাঠালিয়া সংবাদদাতা
রাজনীতি ও জনসেবায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন শৌলজালিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড থেকে টানা ৪ বার নির্বাচিত ইউপি সদস্য সৈয়দ আব্দুল কাইয়ুম। রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি কেবল একজন সফল জনপ্রতিনিধিই নন, বরং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) এক নিবেদিতপ্রাণ ও দুর্দিনের ত্যাগী নেতা হিসেবে সুপরিচিত।
শৌলজালিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মানুষ বারবার তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সৈয়দ আব্দুল কাইয়ুমের ওপর আস্থা রেখেছেন। টানা ৪ বার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়া সাধারণ কোনো বিষয় নয়; এটি তার সততা, কর্মদক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের সাথে তার নিবিড় সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ। এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়ন থেকে শুরু করে সামাজিক বিচার-সালিশে তিনি সবসময় ন্যায়বিচারের পক্ষে আপসহীন থেকেছেন।
দলের দুর্দিনে সাহসিকতার পরিচয়
সৈয়দ আব্দুল কাইয়ুম বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত থেকে বহু চড়াই-উতরাই পার করেছেন। দলের কঠিন সময়ে যখন অনেকেই পিছুটান দিয়েছেন, তখন তিনি রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে একাধিকবার হামলা ও মামলার শিকার হলেও তিনি তার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। হামলা-মামলার ভয়ে দমে না গিয়ে বরং আরও শক্তিশালীভাবে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।
নেতাকর্মীদের শেষ আশ্রয়স্থল
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে সৈয়দ আব্দুল কাইয়ুমের পরিচয় একজন ‘অভিভাবক’ হিসেবে। বিএনপির যেসব কর্মীরা হামলা ও মামলার শিকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন, তিনি নিয়মিত তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজখবর নেন। আইনি লড়াই থেকে শুরু করে আর্থিক ও মানসিক সমর্থন— সবক্ষেত্রেই তিনি কর্মীদের পাশে দাঁড়ান। তার এই আত্মত্যাগের কারণে ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দলের সাংগঠনিক ভিত অত্যন্ত মজবুত হয়েছে।
এলাকাবাসীর মূল্যায়ন
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “সৈয়দ আব্দুল কাইয়ুম মেম্বার আমাদের সুখ-দুঃখের সাথী। রাজনীতিতে অনেক চড়াই-উতরাই দেখলেও তিনি আমাদের ছেড়ে যাননি। তার মতো ত্যাগী ও জনবান্ধব নেতা বর্তমান সময়ে বিরল।”
রাজনীতিতে সততা এবং কর্মীদের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা যে একজন মানুষকে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে নিয়ে যেতে পারে, সৈয়দ আব্দুল কাইয়ুম তার জীবন্ত উদাহরণ। শৌলজালিয়ার ৩নং ওয়ার্ডের মানুষের জন্য তিনি আজীবন সেবা করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।