1. admin@moheshpurnews24.com : admin :
July 22, 2026, 4:26 pm
শিরোনামঃ
গণসংযোগে ব্যাপক সাড়া, দানাপাটুলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহজাহান সানাউল্লাহ সাংবাদিক শফিক গ্রেপ্তার, নিঃশর্ত মুক্তির আল্টিমেটাম ও মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুংকার; সাংবাদিক সমাজ একের পর এক চমক দেখাচ্ছেন সুনামগঞ্জের উদীয়মান গীতিকার ও সুরকার মনসুর সানী মিমপ্রেক্স এগ্রোকেমিক্যালসের রিটেইলার সমাবেশ ও পারিবারিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে মাদক বিক্রির অভিযোগে ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে ৬ মাস করে কারাদণ্ড দেবীগঞ্জের বিষপানি ডারার পাড়ে রাস্তা ধসে জনদুর্ভোগ চরমে, নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কায় বাড়িঘর, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি। রাজপাড়া থানা পরিদর্শন করেন আরএমপি কমিশনার ফয়েজুল কবির নাসিরনগর ধরমন্ডল থেকে ১২ টি গাঁজা গাছসহ নারী গ্রেফতার নাসিরনগরের উন্নয়ন ও জনসেবার প্রত্যয়ে ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আজদু মেম্বার। বিপদে সাংবাদিক আবিরের পাশে মিরপুর প্রেসক্লাব, ঐক্যের নজির স্থাপন।
ব্রেকিং নিউজঃ
গণসংযোগে ব্যাপক সাড়া, দানাপাটুলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহজাহান সানাউল্লাহ সাংবাদিক শফিক গ্রেপ্তার, নিঃশর্ত মুক্তির আল্টিমেটাম ও মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুংকার; সাংবাদিক সমাজ একের পর এক চমক দেখাচ্ছেন সুনামগঞ্জের উদীয়মান গীতিকার ও সুরকার মনসুর সানী মিমপ্রেক্স এগ্রোকেমিক্যালসের রিটেইলার সমাবেশ ও পারিবারিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে মাদক বিক্রির অভিযোগে ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে ৬ মাস করে কারাদণ্ড দেবীগঞ্জের বিষপানি ডারার পাড়ে রাস্তা ধসে জনদুর্ভোগ চরমে, নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কায় বাড়িঘর, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি। রাজপাড়া থানা পরিদর্শন করেন আরএমপি কমিশনার ফয়েজুল কবির নাসিরনগর ধরমন্ডল থেকে ১২ টি গাঁজা গাছসহ নারী গ্রেফতার নাসিরনগরের উন্নয়ন ও জনসেবার প্রত্যয়ে ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আজদু মেম্বার। বিপদে সাংবাদিক আবিরের পাশে মিরপুর প্রেসক্লাব, ঐক্যের নজির স্থাপন।

ক্রোক হচ্ছে অবৈধ মাদক ব্যবসায়ীদের সম্পদ

  • Update Time : Saturday, July 11, 2026

মো: গোলাম কিবরিয়া
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

রাজশাহী জেলার,
অবৈধ সম্পদ নিয়ে আতঙ্কে গোদাগাড়ীর মাদক কারবারিরা ,
মাদক ব্যবসা করে অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ নিয়ে এখন আতঙ্কে পড়েছেন রাজশাহীর গোদাগাড়ীর শীর্ষ হেরোইন কারবারিরা। সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে গোদাগাড়ীর শীর্ষ দুই মাদক কারবারির সম্পদ ক্রোক করা হয়েছে। আরও ২০ জনের ব্যাপারে তদন্ত চলছে। পর্যায়ক্রমে গোদাগাড়ীর ১৮৪ জন হেরোইন মাফিয়ার ব্যাপারে তদন্ত হবে বলে জানা গেছে।

এ অবস্থায় গোদাগাড়ীর শীর্ষ মাদক কারবারিরা তাদের অবৈধ সম্পদ নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। কারাগারে থাকা গোদাগাড়ীর সবচেয়ে বড় মাদক কারবারি তারেক হোসেনের সম্পদ ক্রোক করার বিষয়টি মঙ্গলবার জানাজানি হয়েছে। এরপর থেকে হেরোইন সিন্ডিকেটগুলোতে এই নিয়েই আলোচনা চলছে। তারা এখন নিজেদের সম্পদ লুকানোর পরিকল্পনা করছেন। তবে সম্পদ ক্রোক করার বিষয়টিকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন বিশিষ্টজনেরা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বছরের শেষের দিক থেকে তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের অবৈধ সম্পদ খুঁজে দেখার কাজ শুরু হয়েছে। যাদের বৈধ আয়ের উৎস না থাকলেও সম্পদ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মিস পিটিশন মামলা দায়ের করা হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের সম্পদ ক্রোক করার আদেশ দিচ্ছেন। সম্পদ ক্রোক করা বলতে আদালতের আদেশে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ জব্দ বা আইনি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া বোঝায়, যাতে সেই সম্পদ বিক্রি-হস্তান্তর বা গোপন করা না যায়।

রাজশাহীর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত গত ৬ এপ্রিল মো. আব্দুল্লাহ নামের এক মাদক ব্যবসায়ী ও তার স্ত্রী সায়েরা বেগমের অবৈধ সম্পদ ক্রোক করার আদেশ দেন। আদেশে ছয়টি দলিলে থাকা আব্দুল্লাহর ১৯৯ দশমিক ২১ শতাংশ এবং সায়েরার পাঁচটি দলিলে থাকা ১৭৪ দশমিক ৫ শতাংশ জমি ক্রোক করা হয়। এছাড়া ২৩ মে একই আদালত শীর্ষ মাদক কারবারি তারেক হোসেনের চারটি দলিলে থাকা ১৯৯ দশমিক ১১৭৫ সহস্রাংশ জমি ক্রোক করার আদেশ দেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদক কারবারি আব্দুল্লাহ ও সায়েরা দম্পতির বাড়ি গোদাগাড়ীর সহড়াগাছি গ্রামে। মাদক ব্যবসা করে তারা অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক আলী আসলাম হোসেন তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত তাদের অবৈধ সম্পদ ক্রোক করার আদেশ দিলে সেখানে এ সংক্রান্ত ব্যানার টানিয়ে দেওয়া হয়েছে ।

এদিকে শীর্ষ মাদক কারবারি তারেক হোসেনের বাড়ি গোদাগাড়ী পৌরসভার মাদারপুর মহল্লায়। স্থানীয় লোকজন জানান, গোদাগাড়ীর সবচেয়ে বড় এই মাদক কারবারি ভারত থেকে প্রতিমাসে মণ খানেক হেরোইন এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাতেন। গত বছরের ২২ এপ্রিল সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল তারেকের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে হেরোইন বিক্রির ১৩ লাখ টাকাসহ তাকে আটক করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে নিয়েই উপজেলার তিরিন্দা ভাজনপুর এলাকায় তারেকের গরুর খামারে অভিযান চালানো হয়।

সেখানে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা মূল্যের সাড়ে ৬ কেজি হেরোইন উদ্ধার করা হয়। সেই থেকে তারেক হোসেন রাজশাহী কারাগারে আছেন। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মেহেদী হাসান। এ মামলায় আদালত তার ২৭ লাখ ৬১ হাজার টাকা মূল্যের জমি ক্রোক করার আদেশ দেন।

গোদাগাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুল ইসলাম বলেন, ‘ক্রোকাদেশ থাকা অবস্থায় এই সম্পত্তি কোনোভাবেই বিক্রি বা হস্তান্তর করা যাবে না। আমরা দুজনের ব্যাপারে আদালতের এই আদেশ পেয়েছি। আদালতের আদেশ যথাযথভাবে প্রতিপালন করা হবে।

গোদাগাড়ী নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি আইনজীবী সালাহউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ীদের অবৈধ সম্পদ ক্রোক করা শুরু হয়েছে এটি ভাল খবর। আরও আগেই এই প্রক্রিয়া শুরু করা দরকার ছিল। দেরিতে হলেও শুরু হয়েছে। এখন ক্রোক করার খবরে মাদক ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত। তারা চেষ্টা করবে দ্রুত নিজেদের সম্পত্ত অন্য নামে সরিয়ে ফেলার। অথবা বেনামে সম্পদ করবে। এটিও যাতে করতে না পারে তা দেখতে হবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গোদাগাড়ী পৌরসভার সাগরপাড়া মহল্লার শীর্ষ মাদক কারবারি আবুল কালাম আজাদের অবৈধ সম্পদের ব্যাপারেও তদন্ত চলছে। এই মাদক কারবারিও প্রতিমাসে প্রায় এক মণ হেরোইন দেশের নানা প্রান্তে পাঠান বলে স্থানীয় লোকজন জানেন। তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে সাতটি মাদকের মামলা হলেও তার ব্যবসা থামেনি। মাদক ব্যবসা করেই প্রায় ২০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন তিনি। সম্প্রতি পুলিশ এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে। এরপর থেকে পরিবারসহ কালাম লাপাত্তা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ীদের মাদকের প্রতি নিরুৎসাহিত করতেই আমরা তাদের সম্পদ ক্রোক করার ব্যবস্থা করছি। ইতোমধ্যে দুজনের সম্পদ ক্রোক হয়েছে। আমরা এখন আরও ২০ জনের ব্যাপারে তদন্ত করছি। তাদের সম্পদ খুঁজে দেখতে আমাদের ২০-২২টি দপ্তরের সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে। যারা তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী, আয়ের বৈধ উৎস নেই; কিন্তু সম্পদ আছে- এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেই মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হবে।’

তিনি জানান, তাদের কার্যালয়ে গোদাগাড়ীর শীর্ষ ১৮৪ জন মাদক কারবারির তালিকা আছে। এরা বড় হেরোইন কারবারি হিসেবেই পরিচিত। তারাই হেরোইন সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে। বাকিরা তাদের হয়ে কাজ করে। একে একে এদের সবাইকেই তদন্তের আওতায় আনা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2024 Zahidit News
Theme Customized By bdit.com.bd