খ,ম,জায়েদ হোসেন,নাসিরনগর
(ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) প্রতিনিধিঃ
আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বাঙালি জাতির সবচেয়ে গৌরবের দিন।
২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি সেনারা তাদের নীলনকশা অনুযায়ী গণহত্যা শুরু করে। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী মাথা নত করেছে বীর জনগণের অদম্য প্রত্যয়ের কাছে। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের এই ৫৫ তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বাঙালিসহ এ দেশের সকল জাতীসত্তার মানুষ ফিরে তাকাবে গৌরবোজ্জ্বল সেই অধ্যায়ের দিকে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নেওয়ার শপথ নেবে নতুন করে।
দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য সরকারি পর্যায়ে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবী এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনও নানা কর্মসূচি পালন করে। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে নানান কর্মসূচির অংশ হিসেবে এদিন প্রত্যুষে সারা দেশের ন্যায় ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনায় জাতীয় বীর শহীদদের স্মরণে উপজেলা কেন্দ্রীয় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন ব্রাহ্মনবাড়ীয়া-১ নাসিরনগর সংসদীয় ২৪৩ আসনে সংসদ সদস্য উপজেলার বিএনপির সংগ্রামী সভাপতি ও নাসিরনগর উপজেলার অভিভাবক মাটি ও গণমানুষের নেতা জননেতা এম এ হান্নান এমপি মহোদয়, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ,
পুলিশ বাহিনী, আনসার – বিডিপি সহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ, উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ, বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্র -ছাত্রী,শিক্ষক, বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক দলের নেত্রীবৃন্দ। সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস ভবনে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। জাতীয় পতাকায় সজ্জিত হয় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর।
উপজেলা আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের সমাবেশ ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।
বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশুদের চিত্রাঙ্কন, রচনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও উপজেলা পর্যায়ে ফুটবল,বিভিন্ন খেলার আয়োজন করা হয়।
উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করা হবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও উপাসনার আয়োজন করা হয়। সব হাসপাতালে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়।