1. admin@moheshpurnews24.com : admin :
March 3, 2026, 6:09 am
শিরোনামঃ
মহেশপুর পৌরবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র পদপ্রার্থী ইসমাইল হোসেন পলাশ গাইবান্ধা সদর উপজেলার যুব উন্নয়নের পশ্চিম পাশে তুলসিঘাঠ এর পূর্ব পাশে কাজীর বাড়ির মোরে একটি ট্রাকে দুর্ঘটনা ঘটে মহেশপুরে নবনির্বাচিত এমপি মোঃ মতিয়ার রহমান-কে গণসংবর্ধনা উন্নয়ন ও সুশাসনের অঙ্গীকার পদ্মার পাড়ে তরুণ তরুণীকে জিম্মি করে ছিনতাই চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ-এর আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত লেদা মোচনী ট্রাক চালক শ্রমিক বহুমুখী সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন তফসিল ঘোষণা টেকনাফে পারিবারিক বিরোধে নারীকে হুমকির অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-সরাইলে ১০৮ কেজি গাঁজা সহ মাইক্রোবাস জব্দ ভোলাহাট সীমান্তে ডিএনসির অভিযানে ইয়াবাসহ নারী আটক ০১ নেত্রকোনা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তার উপর অর্পিত কর্মকে ধর্মের ন্যায় পালন করছেন
ব্রেকিং নিউজঃ
মহেশপুর পৌরবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র পদপ্রার্থী ইসমাইল হোসেন পলাশ গাইবান্ধা সদর উপজেলার যুব উন্নয়নের পশ্চিম পাশে তুলসিঘাঠ এর পূর্ব পাশে কাজীর বাড়ির মোরে একটি ট্রাকে দুর্ঘটনা ঘটে মহেশপুরে নবনির্বাচিত এমপি মোঃ মতিয়ার রহমান-কে গণসংবর্ধনা উন্নয়ন ও সুশাসনের অঙ্গীকার পদ্মার পাড়ে তরুণ তরুণীকে জিম্মি করে ছিনতাই চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ-এর আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত লেদা মোচনী ট্রাক চালক শ্রমিক বহুমুখী সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন তফসিল ঘোষণা টেকনাফে পারিবারিক বিরোধে নারীকে হুমকির অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-সরাইলে ১০৮ কেজি গাঁজা সহ মাইক্রোবাস জব্দ ভোলাহাট সীমান্তে ডিএনসির অভিযানে ইয়াবাসহ নারী আটক ০১ নেত্রকোনা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তার উপর অর্পিত কর্মকে ধর্মের ন্যায় পালন করছেন

নেত্রকোনা পাহাড়ি এলাকায় বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আদিবাসীরা

  • Update Time : Friday, February 27, 2026

সোহেল খান দূর্জয়- নেত্রকোনা :
নেত্রকোনায় পাহাড়ি ঝর্ণা বা ছড়ার পানি পানাহার করেই বেঁচে আছে সীমান্ত এলাকার পাহাড়ি জনগোষ্ঠী। বছরের পর বছর এভাবেই চলছে জীবনযাপন। দীর্ঘ পথ হেঁটে ভারতীয় ছড়ার পাশে ছোট ছোট কোয়া তৈরি করে খাবার পানি সংগ্রহ করছেন স্থানীয় পাহাড়ি আদিবাসীরা। তবে চলতি বছর সুপেয় পানির তীব্র সংকটের মুখে নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী উপজেলা দুর্গাপুর ও কলমাকান্দার গারো আদিবাসী-সহ লক্ষাধিক মানুষ। ভারত থেকে প্রবাহিত ছড়া বা ঝরনার দূষিত পানিই এখান তাদের একমাত্র ভরসা। এই পানি পান করে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে স্থানীয় আদিবাসীরা। তবে সঙ্কট নিরসনে রিং-টিউবওয়েল নামমাত্র বরাদ্দ হলেও প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এরমাঝে তা বাস্তবায়নেও করা হয় নয় ছয়।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বিশুদ্ধ পানির অভাবে, টাইফয়েড, চর্মরোগ, ডায়রিয়া প্রভৃতি পানিবাহিত রোগ ভুগছেন অনেকে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা এ থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এলাকার একাধিক স্বাস্থ্যকর্মী জানিয়েছেন, বছরের বিভিন্ন সময় পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভিড় বাড়ে। স্থানীয় আরাপাড়া এলাকার গারো যুবক বিনোদ সাংমা বলেন, সীমান্ত এলাকায় কয়েকটা কোয়া দিছে, কিন্তু ওগুলা সারাতে কেউ আসে না। কয়েক বছর পর একবার দেখে, আবার চলে যায়। আমরা দিনে ২/৩ কিলোমিটার হেঁটে পানি নিতে যাই। এইভাবে আর কত দিন চলবে?

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বিশেষ ব্যবস্থায় কিছু কোয়া তৈরি করে রিং বসিয়ে উপরে টিউবওয়েল বসানোর প্রকল্প হাতে নেয়। তবে বরাদ্দ অপ্রতুল হওয়ায় তা খুব সীমিত পরিসরে বাস্তবায়িত হয়। তদুপরি, যেখানে প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, সেগুলোর অনেকগুলো এখন অচল হয়ে পড়ে আছে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বলছেন প্রকল্প এলেও তা রাজনৈতিক বিবেচনায় বণ্টিত হয়, ফলে প্রকৃত দরিদ্র ও অসুবিধাগ্রস্ত মানুষ এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, নেত্রকোনার সীমান্ত উপজেলা কলমাকান্দা ও দূর্গাপুরে অধিকাংশ গ্রামই টিলা ও পাহাড় বেষ্টিত। বিজয়পুর, রংছাতি, পাঁচগাও, কুল্লাগড়া, বিপিনগঞ্জসহ অর্ধশত গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা ভারতীয় ময়লা পানি। কারণ এসব অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তরে রয়েছে পাথর। যা অতিক্রম করে গভীর নলকূপ কিংবা সাবমার্সেবল স্থাপন ব্যয়বহুল।

তাই জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ বিশেষ ব্যবস্থায় কোয়া তৈরি করে রিং বসিয়ে উপরে টিউবওয়েল স্থাপন প্রকল্প চালু করে। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দে অপ্রতুলতা ও বিতরণে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে কাটছে না এখানকার বিশুদ্ধ পানির অভাব। বাধ্য হয়ে ময়লা মিশ্রিত ভারতীয় বিভিন্ন ছড়ার পানি সংগ্রহ করছেন স্থানীয়রা। দূষিত পানিতে গোসল পানাহার করায় বছর জুরে নানা রোগে ভুগছেন স্থানীয়রা। সীমান্ত এলাকায় নামমাত্র কয়েকটি কোয়া স্থাপন করলেও রক্ষণা বেক্ষণের অভাবে সেগুলো অচল। ফলে দিনের পর দিন দীর্ঘ পথ হেঁটে ভারতীয় ছড়া থেকে দূষিত পানিই সংগ্রহ করতে বাধ্য হচ্ছে স্থানীয়রা।

তবে পানি সংকট সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প গ্রহণের চেষ্টা চলছে জানান,সংশ্লিষ্টরা। দায়িত্ব প্রাপ্ত দূর্গাপুর উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, পাহাড়ি এলাকায় গভীর নলকূপ তৈরিতে ডায়মন্ড কাটার মেশিন প্রয়োজন। সরকারিভাবে কাটার মেশিন সরবরাহ করলে ভবিষ্যতে বিশুদ্ধ খাবর পানি সঙ্কট অনেকাংশেই লাঘব হবে। নেত্রকোনা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নায়েব আলী খান জানান, আমি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি, বিশুদ্ধ পানি পাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার। গারো আদিবাসীসহ দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষ বছরের পর বছর এই অধিকার থেকে বঞ্চিত। এক প্রকার ন্যায্যতার অবক্ষয়, যা শুধু ব্যর্থতাই নয়, পুরো সমাজের দায়।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2024 Zahidit News
Theme Customized By bdit.com.bd