বিপ্লব চৌধুরী ঃ স্টাফ রিপোর্টার
‘মেধা-বিজ্ঞান-উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাজীপুরে জেলা পর্যায়ের ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকালে গাজীপুর মহানগরীর পিটিআই অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসন ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘এডুকেশন এক্সিলেন্স সাপোর্ট সিস্টেম (EESS)’ ও আইইডিপির সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই মেলায় জেলার পাঁচটি উপজেলা থেকে বাছাইকৃত সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। তারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শন করেন, যা দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন । তিনি মেলায় প্রদর্শিত প্রতিটি প্রকল্প ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণামূলক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত প্রতিটি প্রকল্প মানবকল্যাণের লক্ষ্য নিয়ে তৈরি, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের এমন সৃজনশীল উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।” তিনি আরও বলেন, এসব উদ্ভাবনকে জাতীয় পর্যায়ে কাজে লাগানোর সম্ভাবনা নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট -এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) , গাজীপুর প্রেসক্লাবের তত্ত্বাবধায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য , কাপাসিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা , সরকারি রানী বিলাশমনী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা , কালীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা , কালিয়াকৈর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, “এখানে প্রদর্শিত প্রতিটি প্রকল্প নিয়েই আলাদা বড় মেলার আয়োজন করা সম্ভব। পৃথিবীর অনেক বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান শুরু হয়েছিল একটি মাত্র উদ্ভাবনী ধারণা থেকে। উদ্ভাবনের মূল লক্ষ্য মানুষের সময় বাঁচানো এবং জীবনযাত্রাকে সহজ করা। মানুষের কল্যাণে সময় ও মেধার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করাই উদ্ভাবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য।”
প্রতিযোগিতার ফলাফল
মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকল্পগুলোর গুণগত মান, কার্যকারিতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বিবেচনায় বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এতে যৌথভাবে প্রথম স্থান অর্জন করে এবং । দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে এবং তৃতীয় স্থান লাভ করে ।
বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।