1. admin@moheshpurnews24.com : admin :
October 19, 2026, 7:13 pm
শিরোনামঃ
ক্ক্সবাজারের উখিয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদ্‌যাপন উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিনা অনুমতিতে অবস্থান, যুবকের এক মাসের কারাদণ্ড জাফরাবাদে মাদক বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ, নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান জোরদারের দাবি পূর্ব-পশ্চিম জাফরাবাদসহ আট এলাকায় মাদক কেনাবেচার অভিযোগ, তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করার আহ্বান নাসিরনগরে ০৬ নং ওয়ার্ডে গণসংযোগে ব্যস্ত তরুন মেম্বার পদপ্রার্থী নূর মোহাম্মদ রাজিব খাঁন, ‎ ‎সুখে দুঃখে মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ‎ প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে রাজশাহীতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ‘একক প্রার্থী’ বাছাইয়ে বিএনপির অভ্যন্তরে শুরু হয়েছে তোড়জোড় নেত্রকোনায় অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণহীন অটোরিকশায় সয়লাব, পৌরসভার হিসাবে,শহরে ৫ হাজার ৬৫৯ যশোরে মাদ্রাসা শিক্ষকদের ২১ দিনব্যাপী ‘হাদিস শরিফ’ প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠান মাদ্রাসা শিক্ষকদের দক্ষতা ও পেশাগত মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি’র পৃথক অভিযান ভারতীয় মদ ও নেশাজাতীয় সিরাপ উদ্ধার সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে বালু বোঝাই ট্রাকসহ আটক-১
ব্রেকিং নিউজঃ
ক্ক্সবাজারের উখিয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদ্‌যাপন উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিনা অনুমতিতে অবস্থান, যুবকের এক মাসের কারাদণ্ড জাফরাবাদে মাদক বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ, নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান জোরদারের দাবি পূর্ব-পশ্চিম জাফরাবাদসহ আট এলাকায় মাদক কেনাবেচার অভিযোগ, তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করার আহ্বান নাসিরনগরে ০৬ নং ওয়ার্ডে গণসংযোগে ব্যস্ত তরুন মেম্বার পদপ্রার্থী নূর মোহাম্মদ রাজিব খাঁন, ‎ ‎সুখে দুঃখে মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ‎ প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে রাজশাহীতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ‘একক প্রার্থী’ বাছাইয়ে বিএনপির অভ্যন্তরে শুরু হয়েছে তোড়জোড় নেত্রকোনায় অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণহীন অটোরিকশায় সয়লাব, পৌরসভার হিসাবে,শহরে ৫ হাজার ৬৫৯ যশোরে মাদ্রাসা শিক্ষকদের ২১ দিনব্যাপী ‘হাদিস শরিফ’ প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠান মাদ্রাসা শিক্ষকদের দক্ষতা ও পেশাগত মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি’র পৃথক অভিযান ভারতীয় মদ ও নেশাজাতীয় সিরাপ উদ্ধার সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে বালু বোঝাই ট্রাকসহ আটক-১

‎ভরা মৌসুমেও চড়া দামে ইলিশ

  • Update Time : Wednesday, August 26, 2026

‎
‎ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাটঃ
‎
‎চলতি ভরা মৌসুমেও চড়া দামে বাজারে বিকোচ্ছে ইলিশ মাছ।চরম হতাশায় খালি হাতে বাড়ি ফিরছে অধিকাংশ জেলেরা।লোকশানে জেলেদের দাদন দিয়ে আড়ৎদার মহাজনরা।
‎
‎সরবরাহ কমায় ভরা মৌসুমের দুই মাস শেষ হতে চললেও বাজারে ইলিশের দেখা মিলছে না বললেই চলে। যেটুকু মিলছে তারও গড় আকার আগের চেয়ে ছোট। বিক্রিও হচ্ছে চড়া দামে। ফলে ভরা মৌসুমেও সাধারণ মানুষের পাতে উঠছে না ইলিশ।
‎
‎মৎস্য বিভাগের তথ্য মতে, নদীতে নাব্যতা সংকট, দূষণ, প্রজনন ব্যাহত হওয়া ও অবাধে জাটকা নিধনে দিন দিন উৎপাদন কমছে ইলিশের। গবেষকরা জানিয়েছেন, একসময়ের ৪৫০ গ্রাম গড় ওজনের ইলিশ এখন ৩০০ গ্রামে নেমে এসেছে।
‎
‎মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বর্ষাকেই ইলিশের প্রধান মৌসুম ধরা হয়। দেশে আহরিত মোট ইলিশের ৭০ ভাগ পাওয়া যায় দক্ষিণাঞ্চলের নদী ও সাগরে। তবে কয়েক বছর ধরে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির হার ক্রমে নিম্নমুখী। তথ্যে দেখা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ইলিশ আহরণ হয়েছিল ৫ দশমিক ৩২ লাখ টন। ২০১৯-২০ সালে তা বেড়ে হয় ৫ দশমিক ৫০ লাখ টন, ২০২০-২১ সালে ৫ দশমিক ৬৫ লাখ ও ২০২১-২২ সালে হয় ৫ দশমিক ৬৬ লাখ টন। ২০২২-২৩ অর্থবছরে উৎপাদন বেড়ে ৫ দশমিক ৭১ লাখ টনে পৌঁছায়। তবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উৎপাদন কমে দাঁড়ায় ৫ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৭ টনে। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা পাঁচ লাখ টনে নেমে এসেছে।
‎
‎কেবল উৎপাদন ও সরবরাহ নয়, আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে ইলিশের দৈহিক আকারও। ইলিশ গবেষক ও বাংলাদেশ মৎস্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক আনিসুর রহমান  বলেন, ‘বিগত দুই বছর ইলিশের সামগ্রিক উৎপাদন কমছে, শুধু তা-ই নয়; ইলিশের আকারও ছোট হয়েছে। একটা সময় ইলিশের গড় ওজন ছিল ৪০০-৪৫০ গ্রাম। এখন ৩০০-৩৫০ গ্রামে নেমে আসছে।’
‎
‎জলবায়ু সংকটে সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, নদীদূষণ, নাব্যতা সংকট ও প্রজনন পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার কারণে এ সংকট তৈরি হয়েছে।’ পরিস্থিতি উত্তরণে নদী ব্যবস্থার পরিবেশ রক্ষা ও সঠিক গবেষণার ওপর জোর দেন বিশেষজ্ঞরা।
‎
‎খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান জানান, ‘একটি ইলিশ এক-দেড় কেজি ওজনের হতে অন্তত দেড় বছর সময়ের প্রয়োজন হয়। নদীতে ডিম ফোটার পর বাচ্চা ইলিশ সাগরে যায় এবং একটু বড় হয়ে আবার ডিম ছাড়তে মিঠাপানিতে ফিরে আসে। কিন্তু বর্তমানে অতিরিক্ত মাছ শিকারের কারণে এ জীবনচক্র পূর্ণ হতে পারছে না।
‎
‎তিনি বলেন, ‘মোহনায় নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার, বালি উত্তোলন, শিল্প-কারখানার দূষণ ও অনিয়ন্ত্রিত অবকাঠামো নির্মাণের কারণে নদীর স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। তাছাড়া সাগরে ট্রলিং জাহাজের মা-মাছ ও জাটকা শিকারের কারণে বড় ইলিশের আকাল দেখা দিয়েছে। আইন অমান্যকারীদের অনধিক দুই বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান থাকলেও নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার থামছে না।’
‎
‎তবে বাজারে ছোট আকারের ইলিশের সরবরাহও কম। এছাড়া বাজারগুলোয় এ মাছ দীর্ঘদিন ধরে হিমায়িত করে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। সরবরাহ সংকটের অজুহাতে চড়া দামে বিক্রির অভিযোগও রয়েছে।
‎
‎বাজারে ইলিশ কিনতে আসা ক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘৩ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে এক কেজি ইলিশ কেনার সামর্থ্য আমাদের নেই। বাঙালির প্রিয় ইলিশ এখন শুধু রাজাদের মাছে পরিণত হয়েছে।’
‎
‎ক্রেতারা আরো বলেন, ‘মৌসুমেও যদি এত দাম হয়, তবে সাধারণ মানুষ ইলিশ খাবে কীভাবে? নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কোনো তদারকি চোখে পড়ে না।’
‎
‎তবে বাজারে ইলিশের এ চড়া দামের পেছনে সিন্ডিকেট ও অতিরিক্ত হাতবদলকে দায়ী করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, আহরণ থেকে শুরু করে খুচরা বাজার পর্যন্ত ইলিশ চার দফা হাতবদল হয়। এর প্রতিটি ধাপে দাম বাড়ে। পাশাপাশি দাদন, অতি মুনাফা, বরফ ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় ইলিশ আহরণের খরচ দ্বিগুণ হয়েছে।
‎
‎আবার অনেক বিক্রেতা অধিক লাভের আশায় ফ্রিজিং করে বাঙ্কারে মাছ মজুদ করেন। এক বিক্রেতা জানান, সরবরাহ কম থাকায় তারা আগের বছরের মজুদ করা ‘হিম ইলিশ’ বিক্রি করছেন। বর্তমানে বাজারে জাটকা বা ৩০০-৪০০ গ্রামের ছোট ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকায়, এক কেজি ওজনের ইলিশ ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ও দেড় কেজি ওজনের ইলিশ ৪ হাজার ৫০০ টাকায়।
‎
‎তবে ফ্রিজিং করা ইলিশের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, ‘ফ্রিজিং করা ইলিশ ছয় মাস পর গুণগত ও পুষ্টিমান হারাতে শুরু করে। দীর্ঘদিন এভাবে রাখা মাছ খেলে ক্রেতাদের ফুড পয়জনিং হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়।’
‎
‎ইলিশ সংকটের স্পষ্ট প্রভাব পড়েছে সরকারি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রগুলোয়। বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) আওতায় সারা দেশে ২০টি কেন্দ্রের মধ্যে পাঁচটি বন্ধ এবং নয়টি টেনেটুনে চলছে। খুলনা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ বছরের মধ্যে এবারই সরবরাহ সবচেয়ে কম। ভরা মৌসুমে চলতি জুলাই পর্যন্ত এখানে মাত্র দেড় হাজার কেজি ইলিশ এসেছে। অথচ ২০২২ সালের জুলাইয়ে এসেছিল ৩৮ হাজার ৫৪৬ কেজি, ২০২৩ সালে ১৫ হাজার ৯৭৬ ও ২০২৪ সালে ৮ হাজার ৩৯১ কেজি।
‎
‎পাশাপাশি দেশের অন্যান্য বড় মোকাম গুলোতেও ইলিশ মাছের আমদানি কমেছে আশংকাজনক হারে।
‎
‎বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রে ইলিশ রক্ষায় নিঝুম দ্বীপ, নাফ নদীসহ ছয়টি এলাকাকে অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে। সে অভয়াশ্রমগুলো কার্যকরভাবে রক্ষা করা যায়নি। এতে উৎপাদন কমেছে। তাদের মতে জাটকা ও মা-মাছ ধরা পুরোপুরি বন্ধ করা গেলে ইলিশ উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। এর জন্য মৎস্য সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ ও বিধিমালা, ১৯৮৫-এর সঠিক প্রয়োগ, নিষিদ্ধ ট্রলিং বন্ধ করা, সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা ও জেলেদের তালিকা হালনাগাদ করে উপযুক্ত প্রণোদনা দেয়া জরুরি।
‎

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2024 Zahidit News
Theme Customized By bdit.com.bd