মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ
স্টাফ রিপোর্টার
ফুলছড়ি উপজেলার পূর্বের স্থানের কিছু লোকজনের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
তারা এ স্থানান্তরকে অবৈধ দাবি করে আন্দোলন শুরু করেছেন।
জানা গেছে নদী ভাঙনের কারণে ২০০৫ সালে ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ ভবন গজারিয়া এলাকা থেকে কালিরবাজারে স্থানান্তর করা হয়।
পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে থানা পুলিশ ব্যাংক বীমাসহ অধিকাংশ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কালিরবাজারে স্থানান্তরিত হয়। তবে দীর্ঘদিন ধরে সাব রেজিস্ট্রার অফিস গজারিয়াতেই একটি ভাড়া করা কক্ষে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় গজারিয়ায় অবস্থিত ওই অফিসে পর্যাপ্ত অবকাঠামোগত সুবিধা ছিল না। দলিল লেখকদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট বসার ব্যবস্থা না থাকায় তারা একটি জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরে অত্যন্ত কষ্টে কাজ করতেন।
এদিকে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে সরকার কালিরবাজার এলাকায় জমি ক্রয় করে একটি আধুনিক সাব-রেজিস্ট্রার অফিস ভবন নির্মাণ করে।
গত ২৪ মার্চ থেকে নতুন ভবনে জমি রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
তবে নতুন ভবনে কার্যক্রম শুরুর পরপরই গজারিয়া এলাকার কিছু লোকজন এ স্থানান্তরের বিরোধিতা করে আন্দোলন শুরু করে।
এরই প্রেক্ষিতে ২৭ মার্চ (শুক্রবার) গজারিয়া এলাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আন্দোলনকারীদের দাবি পূর্বের স্থানেই অফিসটি বহাল রাখা উচিত ছিল এবং নতুন ভবনে অবৈধভাবে অফিস স্থানান্তর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে সরকারি নিয়মনীতি মেনে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন ভবন নির্মাণ ও অফিস স্থানান্তর করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের সেবা সহজ ও কার্যকর করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
অনেকেই আধুনিক ভবনে কার্যক্রম শুরুকে স্বাগত জানালেও একটি পক্ষ এর বিরোধিতা অব্যাহত রেখেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।