1. admin@moheshpurnews24.com : admin :
April 21, 2026, 11:16 am
শিরোনামঃ
হরিণাকুণ্ডুতে সুষ্ঠু পরিবেশে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা শুরু আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ৮ নং চাতরী ইউনিয়নের মেম্বার পদপ্রার্থী মোহাম্মদ মনজুর আলম মঞ্জু ৪ নং ওয়ার্ড এর জনগণের সেবা করতে চান, নেত্রকোনায় কম্বাইন হারভেস্টার মেশিনের রহস্যজনক অপ্রাপ্যতা, দিশেহারা কৃষক কাঁঠালিয়াতে  এসএসসি পরীক্ষা: উৎসবমুখর ও নকলমুক্ত পরিবেশ। রাজশাহী মেডিক্যালে চিকিৎসা সেবা নিয়ে চরম ক্ষোভ, ইন্টার্নদের কর্মবিরতিতে ভোগান্তি বেড়েছে এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬: প্রথম দিনে পরীক্ষার্থীদের খোঁজখবর নিতে কেন্দ্র পরিদর্শন কিশোরগঞ্জে যোগ দিলেন নতুন জেলা প্রশাসক, সমন্বিত উন্নয়নের প্রত্যয় টেকনাফে রক্তাক্ত বাস্তবতা: একসঙ্গে তিনজনকে হত্যা, জনমনে চরম আতঙ্ক কলমাকান্দায় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ রাজশাহীতে আমের বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের
ব্রেকিং নিউজঃ
হরিণাকুণ্ডুতে সুষ্ঠু পরিবেশে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা শুরু আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ৮ নং চাতরী ইউনিয়নের মেম্বার পদপ্রার্থী মোহাম্মদ মনজুর আলম মঞ্জু ৪ নং ওয়ার্ড এর জনগণের সেবা করতে চান, নেত্রকোনায় কম্বাইন হারভেস্টার মেশিনের রহস্যজনক অপ্রাপ্যতা, দিশেহারা কৃষক কাঁঠালিয়াতে  এসএসসি পরীক্ষা: উৎসবমুখর ও নকলমুক্ত পরিবেশ। রাজশাহী মেডিক্যালে চিকিৎসা সেবা নিয়ে চরম ক্ষোভ, ইন্টার্নদের কর্মবিরতিতে ভোগান্তি বেড়েছে এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬: প্রথম দিনে পরীক্ষার্থীদের খোঁজখবর নিতে কেন্দ্র পরিদর্শন কিশোরগঞ্জে যোগ দিলেন নতুন জেলা প্রশাসক, সমন্বিত উন্নয়নের প্রত্যয় টেকনাফে রক্তাক্ত বাস্তবতা: একসঙ্গে তিনজনকে হত্যা, জনমনে চরম আতঙ্ক কলমাকান্দায় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ রাজশাহীতে আমের বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের

রাজশাহীতে আমের বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের

  • Update Time : Tuesday, April 21, 2026

মো: গোলাম কিবরিয়া
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

রাজশাহীতে গাছে গাছে উঁকি দিচ্ছে থোকা থোকা আম। এবার আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন আমচাষী ও ব্যবসায়ীরা। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবার রাজশাহী অঞ্চলে উৎপাদিত আমের বাজারমূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ১১ হাজার ১৪৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা। বর্তমানে বাগান মালিকরা আম উৎপাদনকে ঘিরে বাগানগুলোতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন।

রাজশাহী নগরীর বুলনপুর বসরী এলাকার বাসিন্দা আলম এবারে আম প্রসঙ্গে বলেন, এবার বাগানে প্রচুর আম এসেছে। হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালিসহ বিভিন্ন প্রজাতির আম গাছে গাছে ভরপুর। কিন্তু ল্যাংড়া আমে হপার পোকার আক্রমণ বেশি। ল্যাংড়া বাদে অন্য প্রজাতির আম বাম্পার ফলন হবে বলে জানান তিনি। গত বছর আমের দাম ভালো ছিল না। এবার আমের ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছেন। কিন্তু বাম্পার ফলনের কারণে দাম কমও হতে পারে বলে শষ্কায় রয়েছেন।

রাজশাহীতে চৈত্রের শেষভাগে বৃষ্টির পর প্রকৃতি এখন নতুন রূপে সেজে উঠেছে। দেশের ‘আমের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত রাজশাহীর গাছে গাছে এখন আমের সমারোহ। নতুন মৌসুমের শুরুতেই কৃষকদের মনে জেগেছে সোনালি স্বপ্ন। রোদ-বৃষ্টি মিলিয়ে অনুকূল আবহাওয়ায় আমগাছে গুটি বড় হয়ে কড়ালি আমে পরিণত হয়েছে। সবুজ পাতার ফাঁকে আম সৃষ্টি করেছে নয়নাভিরাম দৃশ্য। ধানের পর এই অঞ্চলের কৃষকদের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ফসল এখন আম।

চলতি মৌসুমে রাজশাহী অঞ্চলে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৮ মেট্রিক টন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর সম্ভাব্য বাজারমূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ১১ হাজার ১৪৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

এদিকে আম উৎপাদনকে ঘিরে বাগানগুলোতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। কেউ সেচ দিচ্ছেন, কেউ আবার পোকামাকড় ও রোগবালাই দমনে স্প্রে করছেন। কৃষকদের মতে, ভালো মানের ফলন পেতে তিন মাসে অন্তত ৬ থেকে ৭ বার কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয়।

রাজশাহী পবা উপজেলার কয়রা গ্রামের কৃষক সিরাজুল হক বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর ফলন ভালো হবে। প্রায় সব গাছেই আম এসেছে, যা সাম্প্রতিক বছরের তুলনায় আশাব্যঞ্জক।

রাজশাহীর পার্শ্ববতী জেলা নওগাঁতে প্রচুর আম এসেছে। নওগাঁ সাপাহার উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান টোকি জানান, এবার রোদ ও বৃষ্টির সমন্বয়ে আম চাষের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, ফলে রোগবালাই তুলনামূলক কম। এই ধারা বজায় থাকলে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বর্ষা মৌসুমে কিছুটা রোগবালাই বাড়তে পারে।

তিনি আরও জানান, সাপাহার উপজেলায় ৯ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে আম চাষ হচ্ছে, যেখানে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর—এই চার জেলা নিয়ে গড়ে উঠেছে দেশের অন্যতম প্রধান আম উৎপাদন অঞ্চল। এখানে আম্রপালি, ক্ষিরসাপাত, হাড়িভাঙ্গা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, কাটিমন, ফজলি ও বারি-৪সহ বিভিন্ন জাতের আম চাষ করা হয়।

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে জার্মানি, ইংল্যান্ড, সুইডেন, ইতালি, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কানাডায় প্রায় ৪০ কোটি ৮৯ লাখ টাকার আম রপ্তানি হয়েছে। প্রতি কেজি আমের গড় মূল্য ছিল ৯৩ টাকা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে এই চার জেলায় মোট আম উৎপাদন হয়েছিল ১০ লাখ ২৮ হাজার ৮৪৫ মেট্রিক টন। পরবর্তী অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ লাখ ২ হাজার ৯৫ মেট্রিক টনে। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ১১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৮ মেট্রিক টন।

এই লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, প্রতি কেজি গড়ে ৯৩ টাকা দরে মোট সম্ভাব্য বাজারমূল্য দাঁড়াতে পারে প্রায় ১১ হাজার ১৪৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষকদের পরিচর্যার কারণে এ বছর আমের ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। সব মিলিয়ে রাজশাহীর আম মৌসুমকে ঘিরে বিরাজ করছে আশাবাদের সুবাতাস।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2024 Zahidit News
Theme Customized By bdit.com.bd