খ,ম,জায়েদ হোসেন,নাসিরনগর
( ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং মহান স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
আজ শনিবার ৩০মে সকাল ১১ ঘটিকায় ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি বহু দলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার,
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে স্থানীয় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি একেএম খালেদ এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক কে এম বশির উদ্দিন তুহিন এর সঞ্চালনায় আলোচনা ও গরীব অসহায় ও দুস্ত মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সংগ্রামী সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়া -১ নাসিরনগর সংসদীয় ২৪৩ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা এম এ হান্নান এমপি। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আলী আযম চৌধুরী, সাবেক সদস্য সচিব মোঃ আজিজুর রহমান চৌধুরী, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সৈয়দ আবু সারোয়ার, বিএনপি নেতা আজদু মেম্বার, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ জামাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ চৌধুরী প্রমুখ উপজেলা বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক বৃন্দ সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,
১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাঁকে হত্যা করে।
স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা। জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।
তিনি বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। তাই তাকে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক বলা হয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশের সমন্বয়ে সার্ক প্রতিষ্ঠায় স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন জিয়াউর রহমান। শহীদ জিয়াউর রহমান জাতীয়তাবাদ ভিত্তিক এক কালজয়ী দর্শন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, নেতৃত্ব, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। পরিশেষে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।