নিরঞ্জন মিত্র (নিরু) (ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) উদ্ভাবিত পেঁয়াজ এবং তৈলজাতীয় ফসলের আধুনিক উৎপাদন কলাকৌশল ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ফরিদপুরে দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
(৩ আগষ্ট) সোমবার ফরিদপুর বাহিরদিয়া মসলা গবেষণা উপ-কেন্দ্রে সদর উপজেলার বিভিন্ন
এলাকার ৬০ জন কৃষক-কৃষাণীর অংশগ্রহণে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
ফরিদপুর সজেমিন গবেষণা বিভাগ, বারি, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ মাহমুদুর রহমান এর সভাপতিত্বে, প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,
বাংলাদেশ কৃষিগবেষণা ইন্সটিটিউট গাজীপুর সরেজমিন গবেষণা বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা
ড. মাহমুদুল ইসলাম নজরুল।
প্রধান অতিথি তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বারি উদ্ভাবিত পেঁয়াজের জাত বারো মাসই পেঁয়াজ চাষ করা যায়। উৎপাদনও দুই থেকে তিনগুণ বেশি। প্রতি বিঘায় অন্যান্য জাতের পেঁয়াজের উৎপাদন যেখানে ২৫ থেকে ৩০ মণ সেখানে বারি পেঁয়াজ-৫-এর উৎপাদন ৭৫ থেকে ৮০ মণ। এতে কৃষক লাভবান হওয়ার পাশাপাশি দেশে পেঁয়াজের ঘাটতি মেটানোও সম্ভব।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, গাজীপুর সরেজমিন গবেষণা বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শামীস হোসেন মোল্লা, গাজীপুর সরেজমিন গবেষণা বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফরিদপুর মসলা গবেষণা উপ-কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ আশিকুল ইসলাম।
এ-সময় সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির সহ
অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বৈজ্ঞানিক সহকারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কৃষকরা প্রশিক্ষণে বারি উদ্ভাবিত পেঁয়াজ ও তৈলজাতীয় ফসলের আবাদে সুবিধা-অসুবিধা, আয়-ব্যয় ইত্যাদি সম্বন্ধে ধারনা লাভ করেন।
প্রশিক্ষণ শেষে কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করেছেন অতিথিরা।
প্রশিক্ষন অনুষ্ঠানে বক্তারা, বারি উদ্ভাবিত পেঁয়াজের আবাদ চাষপদ্ধতি ও পরিচর্যাসহ সব বিষয়ে চাষিদের পরামর্শ দেন। এতে করে বাজারে পেঁয়াজের সংকট মেটানো সম্ভব। এ ছাড়াও উচ্চ ফলনে কৃষকেরা ব্যাপকভাবে লাভবান হবেন বলে জানান।