মোঃ মনিরুজ্জামান সিনিয়র রিপোর্টার ঝিনাইদাহ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আমি মোঃ ইসমাইল হোসেন পলাশ, সেক্রেটারি বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী মহেশপুর উপজেলা শাখা, ঝিনাইদাহ।
আমি অত্যন্ত গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, সম্প্রতি বিভিন্ন অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাকে জড়িয়ে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। একটি স্বার্থান্বেষী মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়ে সমাজ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আমার দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম ও সুখ্যাতি ক্ষুণ্ন করার ব্যর্থ চেষ্টা চালাচ্ছে।
জনসাধারণের অবগতির জন্য প্রকৃত সত্য নিচে তুলে ধরা হলো:
১. রাজনৈতিক ও পারিবারিক অবস্থান: সোহেল আমার মেজ ভাই, মরহুম আব্দুল ওয়াহেদ মাস্টারের ছোট ছেলে। দুঃখজনক হলেও সত্য, আমার ভাইয়ের অকাল মৃত্যুর পর সোহেল বিপথগামী হয়ে পড়ে এবং জামায়াত-বিরোধী রাজনৈতিক দলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে যুক্ত হয়।
২. সংগঠন ও পরিবারের সাথে সম্পর্কহীনতা: সোহেলের ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক কোনো বন্ধু-বান্ধবই জামায়াত কিংবা ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সাথে যুক্ত নয়। তার
চালচলন ও আচার- আচরণ সংশোধনের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে একাধিকবার সংশোধনাগারে রাখা হলেও কোনো আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়নি। ফলে বর্তমানে তার আপন দুই ভাইসহ পরিবারের অন্যান্য কারোর সাথেই তার কোনো সম্পর্ক নেই।
৩. মতাদর্শগত বৈরিতা: সোহেল পারিবারিক ও রাজনৈতিক আদর্শের এতটাই বিপরীতে যে, বিগত জাতীয় নির্বাচনে তার নিজের জন্মদাত্রী মা ‘দাঁড়িপাল্লা’ মার্কায় ভোট দেওয়ায় সে তার মাকেও চরম গালিগালাজ ও লাঞ্ছিত করেছে।
সুতরাং, যে বা যারা সম্পূর্ণ সত্য গোপন করে বা প্রকৃত ঘটনা না জেনে আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছেন, তাঁদের বিষয়েও আমার সম্যক ধারণা রয়েছে।
মহেশপুর পৌরবাসীসহ গোটা মহেশপুর উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ আমার রাজনৈতিক, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত চরিত্র সম্পর্কে সুস্পষ্টভাবে অবগত। অপপ্রচার চালিয়ে সত্যকে ঢাকা যাবে না এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। আমি এ ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
বিনীত,
মোঃ ইসমাইল হোসেন পলাশ
সেক্রেটারি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
মহেশপুর উপজেলা শাখা, ঝিনাইদহ।