দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আওতায় দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দেশের কয়েকটি জেলা ও উপজেলা থেকে এ কার্যক্রমের জন্য নির্বাচিত উপজেলাগুলোর মধ্যে দোয়ারাবাজারও রয়েছে। প্রাথমিকভাবে উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে এ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ২টায় দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ বিষয়ে আয়োজিত অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্সে এসব তথ্য জানানো হয়।
কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দোয়ারাবাজার উপজেলায় তথ্য সংগ্রহের জন্য সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে উপজেলার মান্নারগাঁও, দোয়ারাবাজার সদর ও নরসিংপুর ইউনিয়নে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে পরিচালিত এ কার্যক্রমের মূল প্রতিপাদ্র্য ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’। এর অন্যতম লক্ষ্য নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং পরিবারকে আর্থিক ও সামাজিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা।
বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংগ্রহ করা হবে, প্রেস কনফারেন্সে দেওয়া তথ্যপত্র অনুযায়ী, ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আওতায় দেশব্যাপী পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ জন্য তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
তথ্য সংগ্রহকারীরা বিশেষায়িত ট্যাবলেট ডিভাইস ব্যবহার করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করবেন। সংগৃহীত তথ্য সরাসরি অনলাইন ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও প্রযুক্তিনির্ভর তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে।
নারীপ্রধান পরিবারকে গুরুত্ব তথ্যপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে পরিবারকে আর্থসামাজিক অবস্থার ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে অতিদরিদ্র, দরিদ্র, ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রকাশিত নীতিমালার তথ্য অনুযায়ী, নারী পরিবার প্রধানদের ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। তবে উপকারভোগী নির্বাচনে নির্ধারিত নীতিমালা ও যোগ্যতার শর্ত অনুসরণ করা হবে।
প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন, দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরূপ রতন সিংহ, দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা এম এ করিম লিলু, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় সাংবাদিক এবং ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে নিয়োজিত সুপারভাইজারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।