নিরঞ্জন মিত্র (নিরু) (ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুর সদর উপজেলার কৃষ্ণনগরে মোঃ দেলোয়ার খাঁন নামে এক কৃষকের ১ একর ৫০ শতাংশ ফসলের জমিতে পরজীবী উদ্ভিদ আলোকলতা (স্বর্ণলতা) ছড়িয়ে পাটের গাছ নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের লক্ষীকুল গ্রামের মাঠে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দেলোয়ার একই গ্রামের মৃতঃ ছোরহাব খানের ছেলে।
কৃষক দেলোয়ার খাঁন জানান, দেড় একর ফসলি জমিতে অত্যন্ত পরিশ্রম করে এই মৌসুমে পাট চাষ করেছি। এই পাট চাষের জন্য আমাকে বিভিন্ন জায়গা থেকে চড়া সুদে ও ধার-দেনা করে প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করতে হয়েছে। ফসলের ফলনও বেশ ভালো হয়েছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় গত কয়েকদিন আগে শত্রুতামূলক ভাবে আমার পাটের জমিতে কে বা কাহারা কোনো এক সময়ে ক্ষতিকারক পরজীবী উদ্ভিদ ‘স্বর্ণলতা’ ছিটিয়ে দিয়ে যায়। এতে স্বর্ণলতা পুরো জমির পাটের গাছগুলোকে পেঁচিয়ে ধরেছে এবং পাটের স্বাভাবিক বৃদ্ধি সম্পূর্ণ নষ্ট করে দিচ্ছে। শত চেষ্টা করেও আমি জমি থেকে এই পরজীবী লতা পরিষ্কার করতে পারছি না। শত্রুতার জেরে করা এই জঘন্য কাজের ফলে আমার পাটের জমিটি এখন ধ্বংসের মুখে।
এতে কৃষকের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিছে। তিনি আরোও জানান, ধার-দেনা হয়ে আমি এই পাট ফসল করেছি। এখন আমি ধার-দেনাায় সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়ব এবং সপরিবারে এক চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়ে পড়ছি।
এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষকরা, প্রশাসন
বিষয়টি বিবেচনা করে সরেজমিনে তদন্তপূর্বক দোষীদের চিহ্নিত করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
ইউপি সদস্য মোঃ জাহিদ মোল্লা
জানান, এমন ঘটনা খুবই দুঃখজনক। আমার পার্শবর্তী ওয়ার্ডের লক্ষীকুল গ্রামে শত্রুতামূলক ভাবে কৃষক দেলোয়ার খাঁনের পাটের জমিতে পরজীবী লতা ছড়িয়েছে। সরজমিনে গিয়ে সত্যতা পাওয়া গেছে। এই কৃষকের অনেক ক্ষতি করেছে দুবৃত্তরা।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কৃষক ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন।