মোঃ সাখাওয়াত হোসেন মামুন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
পূ্র্বধলা উপজেলার ১১ নং গোহালাকান্দা ইউনিয়নের জাতি,ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের জন গণকে বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ বাপহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ১১ নং গোহালাকান্দা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী,তরুণ সমাজের আইকন,সমাজ সেবক,অন্যায়ের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, পূ্র্বধলা উপজেলা যুব দলের সংগ্রামী যুগ্ম আহ্বায়ক,রাজপথের লড়াকু সৈনিক মোঃ আসাদুজ্জামান ডানো।
শুভেচ্ছা বার্তায় আসাদুজ্জামান ডানো বলেন,বাঙালি জীবনের অসাম্প্রদায়িক, সর্বজনীন একটি উৎসব হলো বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ, আমার ব্যক্তিগত ও দলের পক্ষ থেকে গোহালাকান্দার জনগণ ওপূর্বধলা বাসীকে জানাই বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা শুভ নববর্ষ।
তিনি বলেন,এ দিনটি প্রত্যেক বাঙালির জীবনে নিয়ে আসে উৎসব আমেজ আর ফুরফুরে বাতাসের দিন বসন্ত। আলপনা আঁকা শাড়ি আর পাঞ্জাবি ছাড়া যেন এ দিনটিকে আর পালন করাই যায় না। সঙ্গে লাল সবুজ আর সাদার মিশেলে হাতে, গালে ফুলকি আঁকা এখন হালফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতি বছরই ক্রমশ বাড়ছে বর্ষবরণের আমেজ। স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলের সরাসরি সম্প্রচার, রমনার বটমূল থেকে পুরো ঢাকা হয়ে প্রতিটি বিভাগীয় শহর, জেলা শহর, উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রামে গ্রামে পালন করা হয়। তেমনি আমরা শ্যামগঞ্জ বাসীরাও প্রতি বছর সকলে মিলে শ্যামগঞ্জ হাফেজ জিয়াউর রহমান ডিগ্রী কলেজ মাঠে বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখের আয়োজন করি। গোহালাকান্দা ইউনিয়ন,মইলাকান্দা ইউনিয়ন,সিধলা ইউনিয়ন সহ আশে পাশের অন্যান্য ইউনিয়ন থেকেও অনেক লোক পহেলা বৈশাখের এ প্রোগ্রামে অংশ গ্রহণ করে। শুধু গ্রাম নয়, শহর-উপশহর রাজধানী ঢাকারও বিভিন্ন অলিগলিতে বসে বৈশাখী মেলা। পান্তা-ইলিশ, বাঁশি, ঢাক-ঢোলের বাজনায় আর মঙ্গল শোভাযাত্রায় পূর্ণতা পাচ্ছে বাঙালির এ উৎসবমুখরতা।
আসাদুজ্জামান ডানো আর ও বলেন,ধর্মীয় উৎসব স্ব স্ব ধর্মীয় লোকদের জন্য,আর পহেলা বৈশাখের উৎসবে সকল ধর্মের লোকেরা অংশ গ্রহণ করে। বাংলা নববর্ষের বা পহেলা বৈশাখের আনন্দ উৎসব আমার ইউনিয়ন বাসীসহ ছড়িয়ে পড়ুক এ দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে।নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ,শান্তি আর সমৃদ্ধি।